অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানের পুঁজি নিয়ে কতটা লড়াই করা যাবে সেটা নিয়ে ভাবনায় পড়তে হয়েছে টাইগারপ্রেমীদের। তবে ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল দিন কাটানো সাকিব আল হাসানের ঠিকই বিশ্বাস ছিল, অজিদের জন্য কাজটা সহজ হবে না। শেষ পর্যন্ত বেশ কঠিনই হচ্ছে। পড়ন্ত বিকেলে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ রান তুলতে অজিরা হারিয়েছে ৩ উইকেট।
ম্যাচ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাকিব জানালেন লক্ষ্য অনুযায়ীই পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ দল, ‘বল কিন্তু প্রথম থেকেই ঘুরছিল। বিশ্বাস ছিল যে ওদের জন্য কাজটা কঠিন হবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল আড়াইশর মতো করা। যেটা করতে পেরেছি। শেষদিকে নাসির-মিরাজ ও শফিউলের ব্যাটিং খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
১০ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশের ইনিংস টেনে তুলেছেন ওপেনার তামিম ও পাঁচ নম্বরে নামা সাকিব। নিজেদের ৫০তম টেস্টে ১৫৫ রানের জুটি গড়ে এনে দেন লড়াইয়ের পুঁজি। সাকিব ৮৪ ও তামিম করেন ৭১ রান।
যদিও অজি বোলারদের বাউন্স-টার্নের মুখে ব্যাটিং করা সহজ ছিল না। সাকিব জানালেন এমনটাই, ‘অনেকটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমার কাছে মনে হয় আমরা দুজন অনেক ভাল সামলাতে পেরেছি ওই পরিস্থিতিটা। আমাদের জুটিটা এই ম্যাচের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে এই কন্ডিশনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেদিক থেকে আমি খুশি।’
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের চেয়ে ২৪২ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া। হাতে ৭ উইকেট। দিনের খেলা শেষ হওয়ার পর রেনশ-স্মিথ যখন মুখ ভার করে ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন, বাংলাদেশ দল তখন নিজেদের মধ্যে করমর্দনে ব্যস্ত। পরে বাউন্ডারি সীমানা পেরিয়ে ড্রেসিংরুমে ঢুকলেন করতালি দিতে দিতে। এই দৃশ্যটাই বলে দেয় দিন শেষে এগিয়ে বাংলাদেশই। সেটি মানছেন সাকিবও। তবে দ্বিতীয় দিনের চ্যালেঞ্জ নিয়েও ভাবনা তার। অজিদের আরও সাতটি উইকেট যে ফেলতে হবে।

‘অনেক ভাল অবস্থানে আছি। আমরা হয়তো এখন একটু ড্রাইভিং সিটে আছি। তবে কালকে একটা নতুন দিন এবং আমাদের আরও সাতটা উইকেট নিতে হবে। সুতরাং সেটাও আমাদের মাথায় আছে। ওদের ভালো কয়েকজন ব্যাটসম্যান আছে। আমাদের ফোকাস ঠিক রাখতে হবে। যেহেতু টেস্ট ম্যাচ। প্রতিটি দিনেই নতুন নতুন পরিস্থিতি আসে। সেগুলো ঠিকভাবে সামলানোটাই জরুরী।’







