ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থান থেকে ধীরে ধীরে ছয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। একদম তলানি থেকে দলের এই উত্থান, ক্রিকেট বিশ্বের সমীহ আদায়; এসব একদম সামনে থেকে দেখেছেন তামিম ইকবাল। টাইগার ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ ভোলেননি নিকট অতীতের সেইসব দিনগুলোর কথাও, যখন একের পর এক হারে ক্রিকেট বিশ্বের সমালোচনার তীরগুলো এসে বিঁধেছে মনে। সেই তিনি মনে করেন এখন যে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা পাচ্ছে বাংলাদেশ সেই শ্রদ্ধা তারা পাওয়ার যোগ্য।
‘যখন আপনার দল জিততে থাকবে, ভালো খেলতে থাকবে ক্রিকেটবিশ্ব আপনাদের দিকে লক্ষ্য রাখবেই, শ্রদ্ধা করতে শুরু করবে। আর আমরা এখন সত্যিই শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য।’ ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন তামিম।
‘একটা দল হয়েই কিন্তু আমরা এত দূর এসেছি। আগে র্যাঙ্কিংয়ে দশে ছিলাম, এখন ছয়ে উঠে এসেছি। আগেই বলেছি, এই চলাটা সহজ ছিল না। টানা অনেক ম্যাচ হেরেছি। কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি অনেক তিরস্কারও সইতে হয়েছে। কিন্তু গত দুই বছর স্বপ্নের মত কেটেছে বাংলাদেশের। ওই দুইবছর আমরাই মনে হয় ওয়ানডের সেরা দল।’
পরিসংখ্যানও কিন্তু তামিমের বক্তব্যকেই সমর্থন করে। ২০১৫ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ৩৪ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের জয়ের অনুপাত ১.৪৬। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে যা সেরা। শুধু ওয়ানডে নয়। টেস্টে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কার মাটিতে লঙ্কানদেরও হারিয়েছে টাইগাররা। ক্রিকেটে সবধরনের সংস্করণে একটা দল হয়ে ওঠার ইঙ্গিত পরিষ্কার।
২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নিতে হলে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমপক্ষে র্যাঙ্কিংয়ের আটে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। টাইগারদের অবস্থান ছয়ে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারবে টাইগাররা।
‘মনে হয় আমরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার খুব কাছেই আছি। ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছি। ছয়ে উঠেছি। কিন্তু যখন আপনি বড় ধরনের কোনও টুর্নামেন্ট খেলবেন এই সব চিন্তা মাথায়ও আনা চলবে না। আমরা ওই তিন ম্যাচে ভালো করে দেশের জন্য বিশেষ কিছু করতে চাই।’








