বনানীতে ধর্ষণের শিকার দুই ছাত্রীর পোশাক থেকে সংগৃহীত ডিএনএ মেলাতে রিমান্ডে থাকা আসামী নাঈম আশরাফের ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করা হয়েছিলো কি না তা জানতে আসামীদের ৬ টি মোবাইল ফোন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিআইডির প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠাবেন তদন্তকারীরা।
রবিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক ইসমত আরা এমা নাঈম আশরাফের ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে আবেদন করেন।
বনানীর আবাসিক হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী সাফাত, তার বন্ধু সাদমান ও নাঈমের ভূমিকা নিয়ে পুলিশকে দেয়া তথ্য বুধবার আদালতকে জানিয়েছে সাফাতের ড্রাইভার বিল্লাল।
ঘটনায় নিজেকে জড়িয়ে তার দেয়া জবানবন্দী ফৌজদারী কার্যবিধির ১শ ৬৪ ধারায় রেকর্ড করেন সিএমএম আদালতের ম্যাজিট্রেট। আর রিমান্ডে পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে মামলার অন্যতম আসামী নাঈম আশরাফ।
মামলার বাদীর খালাত বোন বলে পরিচিত একজনসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার সময় দুই ছাত্রীর খুব কাছে অবস্থান করা এক তরুণীকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। তবে আদালত থেকে আসামীদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের অনুমতি মিলেছে।
এছাড়াও সাফাতের গানম্যানের দেয়া বিভিন্ন তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। দুই কলেজ ছাত্রীর অভিযোগ গ্রহণের ব্যাপারে থানা পুলিশের কোন গাফিলতি ছিলো কি না জানতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি দ্বিতীয় দফায় আরও তিন দিন সময় চেয়েছে।
বনানী থানার ওসি তদন্তকারীদের বলেছেন, ঘটনার এক মাস পরে অভিযোগ নিয়ে আসায় ফৌজদারী কার্যবিধিতে দেয়া ক্ষমতাবলেই তিনি তদন্ত করে তারপর মামলা নেয়ায় মামলা রেকর্ডে দেরি হয়েছে।
এদিকে তদন্তকারীরা মুক্তভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
গত ২৮ মার্চ বনানীতে দ্য রেইনট্রি হোটেলে বন্ধুর মাধ্যমে এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। এরপর অভিযুক্তরা ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখে।








