জাপানের টোকিওতে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশি সংখ্যক পুরুষ শিক্ষার্থীকে সুযোগ দিতে গিয়ে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে নারী শিক্ষার্থীদের নম্বর কাটা হচ্ছে।
পুরুষ চিকিৎক বেশি বানানো নিশ্চিত করতেই এমনি করা হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়টির অভ্যন্তরীণ তদন্তে তা বেরিয়ে এসেছে।
দি গার্ডিয়ান জানায়, ২০০৬ সাল বা তারও আগে থেকে টোকিও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। অভ্যন্তরীণ ওই তদন্তে জড়িত একজন আইনজীবী স্থানীয় গণমাধ্যমে এমনটি জানিয়েছেন।
জাপানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন আমলার ছেলেকে ভর্তি পরীক্ষায় অনৈতিক সুবিধা দেয়ার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় নারীদের নম্বর কাটার বিষয়টি প্রকাশ পায়। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে ওই আমলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রধানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
তদন্তে দেখা গেছে, এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম ধাপে নারীদের ২০ শতাংশ মার্কস কমানো হয়েছে। পরে যারা চারবার এ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে তাদের বাদ দিয়ে শুধুমাত্র পুরুষ শিক্ষার্থীদের ২০ মার্কস যোগ করে দেয়া হয়েছে।
মা হয়ে যাওয়ার পর নারীদের ক্যারিয়ার সংক্ষিপ্ত করার অংশ হিসেবে নারী চিকিৎসকের সংখ্যা কমাতে তাদের নম্বর কাটা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তদন্তের সাথে যুক্ত একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, সময় স্বল্পতার কারণে শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় প্রভাব বিস্তারের তদন্ত করা হয়েছে। এ ধরণের আরো অভিযোগ রয়েছে এবং সেগুলো খতিয়ে দেখতে আরো অনুসন্ধান করা দরকার।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি পরীক্ষায় প্রভাব বিস্তার করা উচিত হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।







