পুনরাবৃত্তি করতে পারলো না চ্যানেল আই। সামিট-ডিআরইউ ক্রিকেটের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনালে চ্যানেল আই’র বিপক্ষে জয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাভিশন।
এই বাংলাভিশনের বিপক্ষে ফাইনাল জিতেই ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চ্যানেল আই। পরের বছরগুলোতে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গতবারও চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-সবুজের দল। আর ২০০৯ থেকে প্রতি টুর্নামেন্টেই ভাল করলেও এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো বাংলাভিশন।
তবে, ফাইনালে চ্যানেল আই’র জন্য বাংলাভিশনের খেলোয়াড়দের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ইনজুরি। দিনের শুরুতে সেমিফাইনালে বোলিং-এর সময় হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন দলের প্রধান ভরসা রাহুল রায়। পরে তিনি একরকম দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ব্যাট করেই দলকে জেতানোর পাশাপাশি টানা চতুর্থ ম্যাচে ম্যান অফ ম্যাচ হন।

সেই ইনজুরি নিয়ে ফাইনাল ম্যাচে ব্যাট করতে নামেন রাহুল। আবারো একরকম দাঁড়িয়ে থেকেই অপরাজিত ৩৯ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত টসে জেতা চ্যানেল আই ৬ ওভারে ১ উইকেটে করে ৮১ রান।
জবাবে বাংলাভিশনকে দুরন্ত সূচনা এনে দেন তাদের অতিথি খেলোয়াড় জোবায়ের। দলের পক্ষে ৩৪ রান করে ম্যান অফ দ্যা ফাইনালও হন তিনি। তবে সাইদুর রহমান শামীমের বলে নীলাদ্রিকে ক্যাচ দিয়ে জোবায়ের আউট হওয়ার পর খেলা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এক বল বাকি থাকতে জয় পায় বাংলাভিশন।
গতবারের চ্যাম্পিয়ন চ্যানেল আইকে এবার রানার্সআপ ট্রফি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হলেও যথারীতি ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্ট হয়েছেন রাহুল রায়। পাঁচ ম্যাচে তার মোট রান ১৪৬। একবারও আউট হননি তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত রাহুল সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি বল হাতেও দারুণ সফল। পাঁচ ম্যাচে তিনি উইকেট নিয়েছেন ছয়টি।
ফাইনালে পুরস্কার তুলে দেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু এবং সামিট গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান।
চ্যাম্পিয়ন দল ট্রফি ছাড়াও প্রাইজমানি পেয়েছে ৫০ হাজার টাকা। রানার্সআপ দল প্রাইজমানি হিসেবে ৩০ হাজার টাকা ছাড়াও ট্রফি পেয়েছে।

সাংবাদিকদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয় ডিআরইউ ক্রিকেটে এবার সর্বোচ্চ ৪৮টি দল অংশ নেয়।







