যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত করতে সক্ষম, নর্থ কোরিয়া এমন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবে সাউথ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এ বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকও ডাকা হয়েছে।
জাপান সাগরে নর্থ কোরিয়া মিসাইল ছোঁড়ার পাল্টা হিসেবে সাউথ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া থেকেও চালানো হয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা।
মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আর্মি ট্যাকটিকাল মিসাইল সিস্টেম ব্যবহার করেছে। মিসাইলটির এয়ার ডিফেন্স ইউনিটসহ হেলিকপ্টারও ধ্বংস করার সক্ষমতা আছে। অন্যদিকে দ্রুত আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে সাউথ কোরিয়া।
মঙ্গলবার পরীক্ষা চালানো নর্থ কোরিয়ার দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করে পিয়ংইয়ং। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, নর্থ কোরিয়ার এখনো দূরপাল্লার কোনো ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ নেই।
পশ্চিমারা বলছে, জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বারবার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে নর্থ কোরিয়া। এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র ১৫ সদস্যের জরুরি বৈঠক ডেকেছে।








