তিন বছর আগে এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার চেষ্টা করেছিলো জামায়াত-শিবির এমন দাবি করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে দলীয় কোন্দলের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই লিটনের বাসায় নেতাকর্মীদের যাতায়াত কমে গিয়েছিলো।
পুলিশ বলছে, ছোট অস্ত্র দিয়ে খুব কাছে থেকে গুলি করা হয় লিটনকে।
এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডের পর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এখন শোকের ছায়া। নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তিন দিনেও হত্যাকারীদের একজনকেও গ্রেফতার করা যায়নি।
এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে এলাকাবাসী ও সরকার দলের নেতাকর্মীদের। বাসার ভতরে ঢুকে সন্ত্রাসীরা গুলি চালানোর পর তাৎক্ষণিক এগিয়ে এসেছিলেন লিটনের স্বজনরা।
গত কয়েকদিন যাবৎ লিটনের বাসায় আনা গোনা কম ছিলো নেতাকর্মীদের। হত্যাকারীরা লিটনের পরিচিত ছিলো কি-না এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি পুলিশ। গাইবান্ধার পৌর মেয়র জানিয়েছেন, এরআগেও লিটনকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে।
তবে পুলিশ বলছে, হত্যাকারীদের চিহ্নিত করতে কিছুটা সময় লাগবে। লিটন হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শহর আওয়ামী লীগ।








