সব শ্রেণী পেশার মানুষের বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নিউইয়কের্র জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে কবি শহীদ কাদরীর প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানকার আনুষ্ঠানিতা শেষে কবি শহীদ কাদরীকে দেশেই সমাহিত করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কবির মরদেহ ঢাকায় এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি মাহবুবুল হক শাকিল। তিনি জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে এজন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিউ ইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামিম আহসান সেখানকার আনুষ্ঠানিকতাগুলো শেষ করবেন। কবিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি।
মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগ শহীদ কাদরীর নামাজে জানাযায় ইমামতি করেন। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জানাযার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমাদের শিল্প সাহিত্যের একটি বড় জায়গায় ছিলো তার শক্তিশালী বিচরণ।
নিউইয়র্ক বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন বসবাস করার পরও দেশের প্রতি অপরিসীম মমত্ববোধের কারণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নেননি। দেশে শুধু তার মরদেহই যাচ্ছে না, সঙ্গে যাচ্ছে তার লাল সবুজের পাসপোটর্টিও।
একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যাভিনেতা জামালউদ্দিন হোসেন বলেন, তার এ চলে যাওয়া আমাদের বাংলা সাহিত্যে বিশেষ করে বাংলা কবিতায় বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে যা কখনও পূরণ হবার নয়।
বিশিষ্ট লেখক হাসান ফেরদৌস বলেন, পঞ্চাশের দশকের পরে তিনজন সেরা কবির একজন ছিলেন কবি শহীদ কাদরী। কবিতার মধ্য দিয়েই তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন। সোমবার নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনস এ কবির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে।
উল্লেখ্য, রোববার সকাল ৭ টায় নিউইয়কের্র নর্থশোর ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে কবি শহীদ কাদরী ইন্তেকাল করেন।








