পশ্চিমা দেশগুলোকে নতুন করে কড়া বার্তা পাঠালেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার তেলে সর্বোচ্চ মূল্য বেঁধে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল জি৭ ও তাদের সহযোগী দেশগুলি, সেই প্রেক্ষাপটে রাশিয়া এবার ঘোষণা করল, পশ্চিমা দেশগুলির কথা মেনে যে যে দেশ রাশিয়ার তেলের ‘প্রাইস ক্যাপ’ মেনে নেবে, তাদের তেল রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবে রাশিয়া।
এক প্রেসিডেনশিয়াল ডিক্রির মাধ্যমে পুতিন এ ঘোষণা করেছেন।
রাশিয়ার তেলের দাম বেঁধে দেয়ায় এক সপ্তাহে ডলারের তুলনায় রুবেলের দাম পড়েছে ৮ শতাংশ। তেল রফতানি কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পুতিনের মুদ্রার রিজার্ভে। দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে কড়া পদক্ষেপ করার ঘোষণা করেছেন পুতিন।
১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ১ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এই ডিক্রি। বর্তমানে, ইইউ, জি৭ এবং অস্ট্রেলিয়া রাশিয়ার তেলের দাম বেঁধে দিয়েছে ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলারে।
প্রসঙ্গত, ইউরোপের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল সরবরাহকারী দেশ রাশিয়া। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়াকে দমানোর জন্য সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দেয় জি৭ এবং ইইউ। এই আবহে ইউরোপ থেকে মুখ সরিয়ে নিয়ে ভারত ও চীনকে তেল বিক্রির দিকে মন দিয়েছে রাশিয়া। এতে লোকসান হচ্ছে ইউরোপের। রাশিয়ার কাছ থেকে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি তেল কিনছে তুরস্ক, ভারত এবং চীন। রাশিয়ার তথ্য অনুসারে, ভারত ২০২২ সালের প্রথম ৮ মাসে ১৬.৩৫ মিলিয়ন টন তেল কিনেছে। এদিকে পশ্চিমী দেশগুলি প্রথম থেকেই রাশিয়ার থেকে তেল কেনায় ভারতের সমালোচনা করেছে।








