সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মরহুমের নিজ বাড়িতে এ উপলক্ষে পারিবারিক ভাবে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদ মেমোরিয়াল ট্রাষ্টের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরন ও মরহুমের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সম্পাদক আকিকুন্নেছা চৌধুরীর দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদ ১৯২৬ সালের ১৫ অক্টোবর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার ছয়াশী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তিনি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলার মহেষখলা ইয়থ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহন করেন। পাশাপাশি ময়মনসিংহ নর্থ ইস্ট জোন-২ এর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে সংবিধান প্রণয়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবক ছিলেন এবং জীবদ্দশায় তিনি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষকতা করাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীর হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ২৮ আগস্ট মারা যান ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদ।
ডা. আখলাকুল হোসাইন আহমেদের তিন ছেলের মধ্যে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি। সাজ্জাদুল হাসান বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। সাইফুল হাসান গ্রামীণ ফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।







