মাহমুদুল হাসান জয় দেখালেন দৃঢ়তা, ব্যাটিংয়ে টেস্ট মেজাজ ফুটে উঠল পুরোপুরি। নাজমুল হোসেন শান্ত করলেন স্বভাবসুলভ ব্যাটিং। দুই তরুণের ফিফটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে লিডের আশা জাগিয়েছে বাংলাদেশ।
মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে ৩২৮ রানে অলআউট করে দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীরা ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৭৫ রান। শান্ত ৬৪ রান করে ফিরে গেছেন। জয় ৭০ ও অধিনায়ক মুমিনুল হক ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে জয় দেখা পান প্রথম ফিফটির। ১৬৫ বলে পাঁচটি চারে পৌঁছান পঞ্চাশে। ২১১ বলে ৭০ রানে অপরাজিত ইনিংসটিতে চার সাতটি।
৮ উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৫৩ রানে পিছিয়ে আছে। দিনের খেলা ১০ ওভার বাকি থাকতে উইকেট বিলিয়ে আসেন শান্ত। বাঁহাতি পেসার নিল ওয়াগনারের অফস্টাম্পের বাইরের বল মিডঅফে ড্রাইভ খেলতে গিয়েছিলেন। আহামরি কোনো ডেলিভারি ছিল না। বাঁহাতি ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে চলে যায় ব্যাকওয়াট পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকা উইল ইয়াংয়ের হাতে।
ভাঙে ১০৪ রানের লড়াকু জুটি। ১০৯ বলে সাতটি চার ও এক ছক্কায় ৬৪ রান করে যান শান্ত। ফিফটি পূর্ণ করেন ৯০ বলে।
সিরিজের প্রথম টেস্টে ওপেনিংয়ে যথারীতি সাদমান ইসলামের সঙ্গী হন জয়। প্রথম সেশনের ৩ ওভার কাটিয়ে দিয়ে লাঞ্চে যান দুজন। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টা নিরাপদে পার করেন দুই ওপেনার।
পানি পানের বিরতির পর প্রথম বলেই তাদের বিচ্ছিন্ন করেন ওয়াগনার। সাধারণ এক ডেলিভারিতে ফেরেন সাদমান। নিচু হয়ে আসা ফুলটসে ফ্লিক করতে গিয়ে বোলারের হাতে ফিরতি ক্যাচ দেন। ৫৫ বলে একটি চারে ২২ রান করে ফেরেন বাঁহাতি সাদমান। ভাঙে ৪৩ রানের জুটি।
প্রথম ইনিংসে ৩২৮ রান করে নিউজিল্যান্ড। দেশের মাটিতে এই সংস্করণে যা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সর্বনিম্ন। শেষ ৫ উইকেটে ৭০ রান যোগ করে কিউইরা। ৩২ রান নিয়ে দিন শুরু করা হেনরি নিকোলস ১২৭ বলে ১২টি চারে করেছেন ৭৫ রান।
শরিফুল ইসলাম ৬৯ রানে নেন ৩ উইকেট, মেহেদী মিরাজ ৮৬ রানে নেন সমান ৩ উইকেট। মুমিনুল হক মাত্র ৬ রানে নেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট। প্রথমদিন সেঞ্চুরিয়ান ডেভন কনওয়েকে থামানো মুমিনুল পেয়েছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করা নিকোলসের উইকেটও। ইবাদত হোসেন নেন একটি উইকেট।







