ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক জয় তুলে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে আর্জেন্টিনার দুই গোলের দুটিতেই অ্যাসিস্ট করেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। পর নিজেদের ফাইনালে যাওয়া জয় মেসি উৎসর্গ করেছেন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। তবে ম্যারাডোনার সাথে মেসির তুলনা হোক, কখনোই চায়নি মহাতারকা।
ম্যাচের পর ম্যারাডোনাকে নিয়ে মেসি বলেছেন, ‘ডিয়েগো সত্যিই অনন্য, অসাধারণ ছিলেন। আমি কখনোই নিজেকে তার সাথে তুলনা করতে চাইনি। আমার মতে, তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ। ২০১০ বিশ্বকাপের সময় আমরা কিছু অসাধারণ মুহূর্ত ভাগাভাগি করেছিলাম। আসরে প্রতিপক্ষকে নিয়েও আমাদের আলোচনা হয়েছিল।’
‘আজকে তিনি যেখানেই থাকুন, খুশি থাকবেন। তিনি এই বিষয়গুলো উপভোগ করবেন। জাতীয় দল তার কাছে কী ছিল এবং যে উত্তরাধিকার তিনি রেখে গেছেন। এটা তার জন্য একটি উপহার।’
মেসি স্বীকার করছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ রাজনৈতিক কারণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, ‘যদিও এটি সাধারণ একটি ম্যাচ ছিল, আমরা বিশেষ কিছু অনুভব করেছিলাম। জাতীয় সংগীতের সময়ই সেটা অনুভব হয়েছিল। সমর্থকরা অন্য যেকোনো জয়ের চেয়ে এই জয়টিই বেশি চেয়েছিল। কারণ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়া এবং টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’
‘আমি জানি আর্জেন্টিনার মানুষরা কত খুশি। আমার মা এবং পরিবারের লোকজন তাদের উদযাপনের ছবি পাঠিয়েছে। আর্জেন্টিনার মানুষকে এই বিশেষ আনন্দ দিতে পেরে আমি খুশি। আর্জেন্টিনার কোন মানুষই চায়নি আমরা এ ম্যাচটি হারি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই সেমিফাইনালের গুরুত্ব বিবেচনায় নিলে পুরো বিশ্বকাপটি যেভাবে এগিয়েছে, তা ছিল সত্যিই অবিশ্বাস্য। আজ কেউই হারতে চায়নি।’
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ৭ মিনিটের ঝড়ে প্রত্যাবর্তন করে লিওনেল স্কালোনির দল। লিওনেল মেসির জোড়া অ্যাস্টিস্টে ৮৫ মিনিটে এনজো ফের্নান্দেজ এবং ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটে লৌতারো মার্টিনেজের গোলে ২-১এ জিতে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের টিকিট কেটেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ফাইনালে দলটির প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন।







