আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিজয় বার্তা হবে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ। ঐতিহ্যবাহী এই দলটির এবারের কাউন্সিল জাতীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
২২ এবং ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল সফল করতে দেশজুড়ে চলছে তোড়জোড়। তারই অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তরের বর্ধিত সভা। এই সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা আসন্ন সম্মেলন সফল করতে নেতা কর্মীদের সহযোগিতা চান। এই সম্মেলনে যারা নেতা নির্বাচিত হবেন তাদের আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে দলের দূত হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলন পাকিস্তান আমলেও রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আওয়াসী লীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করা হবে সেই সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে। আমাদের সম্মেলন উৎসবমুখর হবে এবং একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, আপনারা জানেন আমাদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর বেশি দিন বাকি নেই। নেতাকর্মীদের সবাইকে মনে রাখতে হবে আপনারা সবাই বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করবেন।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন বলেন, ব্যক্তি নামে ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড এসব তৈরি করতে পারবো না বলেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করি এই সিদ্ধান্ত ঢাকা মহানগর উত্তরের সবাই মেনে চলবো।
আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে থাকবে দুটি অংশ। একটিতে থাকবে দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, অন্যটিতে থাকবে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে তার ঘোষণাপত্র।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এবারের সম্মেলন একটি ঐতিহাসিক সম্মেলন করে আমরা প্রমাণ করে দিবো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক, এর আশেপাশে কেউ নেই।
আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফারুক খান বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন আপনারাই।
ঢাকা মহানগর উত্তরের মেয়র আনিসুল হক বলেন, সম্মেলনে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করি যেন গণতন্ত্রের পথে, গণতন্ত্রের উন্নয়নের পথে এই সম্মেলন যেন একটি উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ব্যানার ফেস্টুনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্য নেতা কর্মীদের ছবি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।








