বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রায় চ্যানেল আইয়ের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।
তিনি আরো বলেন, চ্যানেল আইয়ের বিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আমি দর্শক-শ্রোতা, কলাকুশলী, শুভানুধ্যায়ীসহ চ্যানেল আই পরিবারকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
‘‘গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ। অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। গণমাধ্যম কেবল তথ্য ও সংবাদচিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরে না, জনমত সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণমানুষের বঞ্চনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি সজাগ থেকে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে জাতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমি মনে করি। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণমাধ্যম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে, দেশবাসী প্রত্যাশা করে।’
দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে মনে রাখতে হবে স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমি আশা করি, এ দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রতি অবিচল থেকে চ্যানেল আইসহ সকল গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, নির্মল বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করে জাতি গঠনে অব্যাহত অবদান রেখে যাবে। সংবাদ মাধ্যম ও সংবাদকর্মীগণ তাদের মেধা-মনন, সৃজনশীলতা ও কর্মদক্ষতা প্রয়োগ করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখবেন- এটাই সকলের প্রত্যাশা।’
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চ্যানেল আই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে আসছে জানিয়ে মোঃ আবদুল হামিদ আরো বলেন, আমাদের অগ্রযাত্রাসহ বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে চ্যানেল আই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি চ্যানেল আইয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।







