রাজধানীর বনশ্রীতে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে উস্কানিদাতা ও নাশকতাকারী ৮ জনকে শনাক্তের দাবি করেছে পুলিশ। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।
গৃহপরিচারিকা লাইলীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর বাসার মালিকসহ অন্যদের গ্রেফতার দাবি ও পুলিশের ভুমিকার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর ৫শ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। মামলায় আসামী করা হয় বিএনপি জামায়াতের ৩৭ নেতা কর্মীকে। এদের ৫ জনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চেষ্টা চলছে অন্যদের সনাক্ত করার কাজ।
মতিঝিল অপরাধ বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন: ভিডিও ফুটেজ দেখে ওই ঘটনার উস্কানিদাতা ও নাশকতাকারী ৮ জনকে শনাক্ত করেছি। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।
ময়না তদন্ত ছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামত এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা রিপোর্টও তদন্তে গুরুত্বপুর্ণ বলছে পুলিশ।
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন: জিজ্ঞাসায় গৃহকর্তা ও দারোয়ানের কাছে নতুন কোন তথ্য না পেয়ে তদন্তকারীরা এখন ফরেনসিক ও মাইক্রো বায়োলজিক্যার পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন।
লাইলীকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন গৃহকর্ত্রী শাহানা বেগম।
গত ৪ আগস্ট সকালে বনশ্রীর জি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর বাসার নিচতলায় গৃহকর্তা মইনউদ্দিনের বাসায় গৃহকর্মী লাইলীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বাসার সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লাইলীকে হত্যা করা হয়েছে- স্বজনদের এমন অভিযোগের পর ওই বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়ান বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।









