চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

একজন কমরেডের বিদায়

চ্যানেল আই অনলাইন চ্যানেল আই অনলাইন
১২:২৩ অপরাহ্ণ ১৫, নভেম্বর ২০১৭
সমাজকথন, সেলিব্রিটি সোশ‌্যাল
A A
-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ-মাহবুব) আহ্বায়ক আ ফ ম মাহবুবুল হক স্থানীয় সময় গত ৯ নভেম্বর রাত ১১টা ১৫ মিনিটে কানাডার অটোয়া সিভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সেখানেই তাকে শেষ নিদ্রায় শায়িত করা হয়। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব আ ফ ম মাহবুবুল হকের জীবনের শেষ দিনগুলোর বিষয়ে স্মৃতিচারণ করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন কবি ও ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন: ‘‘গেলো শনিবার ১১ নভেম্বর ছিলো কানাডার রিমেম্বারেন্স ডে। এই দিনে কানাডার শহীদদের স্মরণ করা হয় রাষ্ট্রীয় ও সরকারি নানা আনুষ্ঠানিকতায়। কানাডায় সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয় দিনটি। এমনিতেই সপ্তাহে শনি-রবি দু’দিন ছুটির দিন। এবার রিমেম্বারেন্স ডে ছুটির দিনে পড়ায় সরকারি অফিস বাদে শপিংমল ও দোকানপাট দুপুর বারোটার পর খোলা হবে বলে পূর্বাহ্নেই ঘোষণা দেয়া ছিলো। আমি কাজ করি অটোয়ার লিঙ্কনফিন্ডস শপিং মলের কাস্টমাইজ ইট নামের একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠানে। ডিজাইন ও মুদ্রণ বিষয়ে আমার পূর্ব অভিজ্ঞতা এই কাজটির জন্যে খুবই অনুকুল। রিমেম্বারেন্স ডে উপলক্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে নভেম্বরের এক তারিখ থেকেই আমার পোশাকে রক্তরাঙা একটি পপিফুলের ব্যাজ উৎকীর্ণ থাকে।

এবারের রিমেম্বারেন্স ডে-টা অন্যরকম এক দ্যোতনা নিয়ে এসেছিলো। এইদিনে অটোয়ায় মুক্তিযোদ্ধা-রাজনীতিক আ ফ ম মাহবুবুল হককে লাস্ট স্যালুট দিয়েছেন অটোয়ায় বসবাসকারী কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। অটোয়ার স্কট মসজিদ ক্যাম্পাসে সেই আনুষ্ঠানিকতা আমি প্রত্যক্ষ করেছি ছুঁয়ে দেয়া দূরত্বে থেকে। তার সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক অনুসারী কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখেছি অশ্রুসজল চোখে তাদের শেষ অভিবাদন জানাতে। এর খানিকক্ষণ আগে দুপুর সাড়ে বারোটার জোহর নামাজের পরে আ ফ ম মাহবুবুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত হলো সেই মসজিদে। জানাজায় শামিল হতে এবং তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মন্ট্রিয়ল-টরন্টো এবং নিউইয়র্ক থেকেও ছুটে এসেছিলেন অনেকে। তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদর্শন করা হলো। রাষ্ট্রীয় মর্যাদা বলতে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আগত রাষ্ট্রদূত কর্তৃক মরদেহকে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা মুড়িয়ে দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। প্রবাসে বাংলাদেশের বিশিষ্ট কোনো নাগরিককে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এভাবেই দেয়া হয়ে থাকে। অবশ্য সব বিশিষ্টজন রাষ্ট্রদূতের দেখা পান না। তিনি এর চেয়ে জরুরি কাজে ব্যস্ত থাকলে তার পক্ষে ফার্স্ট সেক্রেটারি পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা সেই আনুষ্ঠানিকতায় শামিল হন। এবং সেটাই প্রবাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা।

স্কট মসজিদ থেকে আ ফ ম মাহবুবুল হকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হলো অটোয়া মুসলিম সিমেট্রিতে। শহরের কোলাহল থেকে সামান্য দূরে মেনোটেক স্টেশন রোডে তাকে সমাহিত করা হলো কিছুটা নির্জন একটা পাইন বনে। প্রবাস জীবনে এই প্রথম প্রিয় এবং কাছের একজনের মৃত্যুপরবর্তী সকল ধর্মীয় এবং আনুষঙ্গিক আনুষ্ঠানিকতাগুলো প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হলো। আ ফ ম মাহবুবুল হককে আমি চিনতাম মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও একজন সৎ রাজনীতিক হিসেবে। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি ছিলেন বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স সংক্ষেপে বিএলএফ-এর অন্যতম প্রশিক্ষক ও পরিচালক। স্বাধীনতার পর প্রথমে জাসদ এবং পরে বাসদ-এ সক্রিয় ছিলেন। তার রাজনীতি সঠিক ছিলো কী না পরিশুদ্ধ ছিলো কি না বা হটকারী ছিলো কি না সে বিতর্কে না গিয়েও বলা যায় ব্যক্তি আ ফ ম মাহবুবুল হক ছিলেন একশোভাগ সৎ এবং শুদ্ধ মানুষ। বিপরীতে তার সহযোদ্ধারা প্রায় সকলেই ছিলেন বুদ্ধিমান। রাজনীতিকে কাজে লাগিয়ে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন না করে নিজেদের ভাগ্য ঠিকই পরিবর্তন করে ফেলেছেন তারা। অর্থ-বিত্ত-বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। রাষ্ট্রক্ষমতার ভাগ পেয়েছেন। মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন। কিন্তু আ ফ ম মাহিবুবুল হক পাননি কিছুই। তার কোনো সম্পদ ছিলো না, ব্যাংক ব্যালান্স ছিলো না। ঋণ খেলাপী ও কালো টাকার মালিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। অসাম্প্রদায়িক একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন। একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা চেয়েছেন। অধিকার বঞ্চিত সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে চেয়েছেন। এই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নিজেই হয়েছেন বঞ্চনার শিকার, সহযোদ্ধা ও ভুল রাজনৈতিক চাতুর্যের কাছে পরাজিত হয়েছে তার স্বপ্ন, এবং আখেরে তিনি নিজেও।

২০০৫ থেকে তিনি কানাডার রাজধানী অটোয়ায় স্ত্রী-কন্যা এবং জামাতার সঙ্গে বসবাস করেছেন। বলতে গেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন পুরোটা সময়। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশে থাকা তার সহযোদ্ধা কমরেডরা কি তার কোনো খোঁজ নিয়েছেন? নেননি। হাসপাতালে মুক্তিযোদ্ধা শাহেদ বখ্‌ত সেদিন আমাকে খুব আক্ষেপ করে বলেছেন- টরন্টোয় তথ্যমন্ত্রী জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনুকে তিনি জানিয়েছিলেন অটোয়ায় হাসপাতালে তার সহযোদ্ধা আ ফ ম মাহবুবুল হকের সাম্প্রতিক অবস্থার কথা। কিন্তু হাসানুল হক ইনু মাহবুবুল হকের পরিবারকে একটা ফোন করার ফুরসতও পাননি। সম্প্রতি অটোয়ায় এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালও। শাহেদ বখ্‌ত তাকেও বলেছিলেন আ ফ ম মাহবুবুল হকের কথা। ‘তাই নাকি’? বলে তিনিও ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সৎ রাজনীতিক আ ফ ম মাহবুবুল হক কতোটা অবহেলিত ছিলেন সতীর্থ রাজনীতিকদের কাছে ঘটনা দুটি তারই উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট উদাহরণ।

এ বিষয়ে আমি আর কথা না বাড়াই।

Reneta

২.
অটোয়ায় কেমন ছিলো তার শেষ দিনগুলো?

২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকায় মিন্টো রোডের বিপরীতে রমনা পার্ক সংলগ্ন ফুটপাত ধরে প্রাত্যহিক ইভনিং ওয়াক করার সময় পেছন থেকে দু’জন আততায়ী তার মাথায় আঘাত করেছিলো। রক্তাক্ত আ ফ ম মাহবুবুল হক লুটিয়ে পড়েছিলেন পথের ওপর। আঘাতটি প্রচণ্ড ছিলো। সংজ্ঞাহীন মাহবুবুল হককে কোনো এক সদাশয় পথচারী পৌঁছে দিয়েছিলেন হাসপাতালে। সেই ঘটনার পরই মূলত শুরু হয় আ ফ ম মাহবুবুল হকের দ্বিতীয় জীবন, কানাডায়, স্মৃতিহীন। আ ফ ম মাহবুবুল হককে আঘাতকারী অজ্ঞাত ঘাতকরা কোনো সাধারণ ছিনতাইকারী ছিলো না। হত্যার উদ্দেশ্যেই তাকে আঘাত করা হয়েছিলো। কারণ সঙ্গাহীন আ ফ ম মাহবুবুল হকের হাতের ঘড়ি মানিব্যাগ টাকা কোনোকিছুই খোয়া যায়নি সেদিন।

কে বা কারা তাঁকে হত্যা করতে চেয়েছিলো? সেটা আজও উদ্ঘাটন করা হয়নি।

৩.
অটোয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন জেনে ২০০৫ সালের এক সন্ধ্যায় আমি তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। কেবিনে আমাকে দেখতে পেয়ে মুগ্ধ কিশোরের সরল উজ্জ্বল হাসিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিলো আ ফ ম মাহবুবুল হকের মুখটি। ‘কেমন আছেন মাহবুব ভাই? আমি রিটন’ বলে হাত বাড়ালে আমার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন মাহবুব ভাই। বললেন- চিনি তো! ছড়াকার। কেমন আছো তুমি? অটোয়াতেই থাকো?

আমি বললাম, জ্বি। স্ত্রী আর কন্যাকে নিয়ে ২০০২ থেকে অটোয়ায়। এরপর আমাকে চমকে দিয়ে আ ফ ম মাহবুবুল হক বললেন, আপনার ব্যবসা কেমন চলছে? ভালো তো? দেশের গরিব মানুষদের জন্যে কিছু করেন।

আমি বললাম, মাহবুব ভাই আমি রিটন, কোনো ব্যবসা-ট্যাবসা নেই আমার।

তিনি বললেন, চিনি তো আপনাকে। গ্রামে যাবেন। লেখাপড়া না জানা দরিদ্র অসহায় বঞ্চিত মানুষদের কাছে যেতে হবে। তাদের কষ্টের কথা শুনতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বুর্জোয়া শাসক গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্ত করতে হবে তাদের।

আমি বুঝে গেলাম কিছুক্ষণ আগে কয়েক সেকেন্ডের জন্যে আমাকে চিনলেও এখন আর আমাকে চিনতে পারছেন না তিনি। মাথায় আঘাত জনিত কারণে তার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেয়েছিলো দ্রুত। স্মৃতি-বিস্মৃতির টানাপড়েনে বিধ্বস্ত কিন্তু সদাহাস্যোজ্জ্বল অন্য এক মাহবুবুল হকে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। ২০০৫ থেকে ২০১৭ এই তেরোটি বছর যে আ ফ ম মাহবুবুল হককে আমরা দেখেছি তিনি আসলে প্রকৃত মাহবুবুল হক ছিলেন না। ছিলেন স্মৃতিহীন অন্য এক মাহবুবুল হক। সম্পূর্ণ নতুন এক মানুষ। প্রায় নবজন্ম লাভ করা এক শিশু যেনো বা। কোনো দীর্ঘ বাক্য গুছিয়ে বলতে পারেন না। সহসা উত্তর দিতে পারেন না কোনো প্রশ্নের।

সবকিছু ভুলে গেলেও কখনো ভুলতেন না ঘড়ির কাটা ধরে আহার এবং অষুধ খাওয়ার বিষয়টি। স্ত্রী কামরুন নাহার বেবী, কন্যা ক্রান্তি এবং জামাতা কায়েস ছিলো তার সকল আনন্দের উৎস। বেঁচে থাকার অবলম্বন। বিশেষ করে তার স্ত্রী বেবীর প্রেম-ভালোবাসা-আদর আর শাসনে অতিবাহিত হয়েছে নতুন শিশু আ ফ ম মাহবুবুল হকের জীবনের শেষ তেরোটি বছরের প্রতিটা মুহূর্ত। মৃত্যুর দুদিন আগে এক সন্ধ্যায় অটোয়া সিভিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। সেদিন তিনি নিঃশ্বাস নিচ্ছিলেন যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই। কিন্তু চোখ মেলে তাকাচ্ছিলেন না একটিবারের জন্যেও!

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা আ ফ ম মাহবুবুল হকের গালে আদরের পরশ বুলিয়ে ভাবী বারবার বলছিলেন- বাবু দেখো তোমাকে কে দেখতে এসেছেন! একবার চোখ মেলে তাকাও। এইটা রিটন ভাই। তুমি দেখতে পাচ্ছো বাবু!

আহারে! আমার চোখ জলে ভরে উঠছিলো বারবার। এইরকম দৃশ্য বেশিক্ষণ দেখা যায় না।

৪.
০৯ নভেম্বর রাত ১১টা ০৭ মিনিটে অনন্তের পথে যাত্রা করলেন আ ফ ম মাহবুবুল হক। পরদিন সন্ধ্যায় তাদের অরলিন্স এলাকার বাড়িতে গিয়েছিলাম পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে। ভাবীকে বললাম–আপনি তো তাঁকে সেভাবেই লালন পালন করেছেন, একজন শিশুকে যেভাবে করতে হয়। চোখের জলে ভাসতে ভাসতে ভাবী বলেছিলেন–হ্যাঁ রিটন ভাই সে তো আমার একটা সন্তানের মতোই ছিলো!

৫
১১ নভেম্বর, রিমেম্বারেন্স ডের ছুটির কারণে সমস্ত দোকানপাট বন্ধ বলে ফুল পাওয়া যাচ্ছিলো না কোথাও। মন্ট্রিয়ল থেকে প্রীতিভাজন কথাশিল্পী নাহার মনিকা আমার স্ত্রী শার্লির জন্যে একগুচ্ছ তাজা হলুদ গোলাপ পাঠিয়েছিলো। সেই ফুলগুলোকে ফুলদানি থেকে তুলে মাহবুব ভাইয়ের জন্যে আমার হাতে দিয়ে দিয়েছিলো শার্লি। অটোয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে সেই ফুলগুলো রাখা হয়েছিলো মাহবুব ভাইয়ের কফিনে। পরে শেষ মুহূর্তে অবশ্য দোকান থেকে ফুলের একটা রিঙ কিনে আনা সম্ভব হয়েছিলো। মেনোটেক স্টেশন রোডের পাইন বনের কবরে মাহবুব ভাইয়ের কফিনটি স্থাপন করার পর মাটি দিয়ে ঢেকে দেয়া হলো। অতঃপর মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলা কারাভানের নাম সম্বলিত ফুলের রিঙটি এবং হলুদ গোলাপের গুচ্ছটি তার কবরের ওপর রাখা হলো। এক পর্যায়ে মাহবুব ভাইয়ের স্ত্রী কামরুন নাহার বেবী সেই কবর থেকে দু’মুঠো মাটি তুলে নিলেন নিজের সংগ্রহে রাখবেন বলে।’’

সবশেষে লুৎফর রহমান রিটন লিখেছেন, ‘অটোয়ায় সেদিন নেমে এসেছিলো মাইনাস তেইশ অঙ্কের কনকনে শীত। প্রবল ঠাণ্ডা হাওয়া বইছিলো। বাংলাদেশের একজন ফ্রিডম ফাইটারকে কানাডার মাটি সেদিন জড়িয়ে ধরেছিলো গভীর আবেগে। আসলে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবনসংগ্রামী বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখা মুক্তিকামী মানুষের নেতার কোনো নির্দিষ্ট দেশ হয়তো থাকে না। কারণ অধিকার বঞ্চিত মানুষের দেশ তো এখন পুরো পৃথিবীটাই। পৃথিবীর অন্য প্রান্তে যুদ্ধ করা একজন মুক্তিযোদ্ধা তাই অনায়াসে শেষ নিদ্রায় শায়িত হন পৃথিবীর আরেক প্রান্তের দেশ কানাডার মাটিতে।

অনেক কষ্ট করেছেন এক জীবনে। পাইন বনের সারি সারি অজস্র বৃক্ষের ছায়ায় আর গাঢ় সবুজ দুর্বা ঘাসের অন্তহীন মায়ায় আপনি ঘুমিয়ে থাকুন কমরেড। শান্তির ঘুম। ওম শান্তি।’’ 

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আ ফ ম মাহবুবুল হক
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ইউরোভিশনে প্রথমবার বাংলাদেশ

জুলাই ২৩, ২০২৬

আসরে প্রথম হার দেখল মিরাজদের গল গ্যালান্টস

জুলাই ২২, ২০২৬

প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়িয়ে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

জুলাই ২২, ২০২৬

নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় জামায়াত থেকে বহিষ্কার এমপি গাজী নজরুল

জুলাই ২২, ২০২৬

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটিতে গ্যাস সংকট

জুলাই ২২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT