উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের টেকনিক্যাল মোড় থেকে মিরপুর এক নম্বর পর্যন্ত তিন কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা পার হতে বছরখানেক আগেও সময় লেগে যেতো প্রায় এক ঘণ্টা। রাস্তার উপরে থাকা বাজার আর অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ হওয়ায় এখন সময় নেমে এসেছে কয়েক মিনিটে।
তবে পানি আর সুয়ারেজ লাইনের সংস্কার কাজে প্রায় এক বছর ধরে রাস্তা খোঁড়াখুড়িতে অতিষ্ঠ ঢাকা উত্তর সিটির ১২ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর জীবন। ফুটপাত দখলমুক্ত হলেও প্রধান সড়কের ওপর ডাস্টবিনের কারণে বিরক্ত ওয়ার্ডবাসী।
অন্যদিকে এ ওয়ার্ডের ফুটপাতগুলো হকারমুক্ত হওয়ায় নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছে মানুষ। এমনকি শাখা রাস্তার দুই পাশও উন্মুক্ত হয়েছে। নিরাপত্তা নজরদারিতে শুরু হয়েছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি এলাকার সংসদ সদস্যের।
সংসদ সদস্য আসলামুল হক বলেন, আধুনিক শহর গড়ে তুলেই আমরা বিদায় নিতে চাই। ২০১৯ সালের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই নির্বাচনেও আমরা এবং আমাদের সরকার এ উন্নয়নের যে রোল মডেল দিয়ে জনগণের কাছে ভোট দাবি করতে পারবে।
কিন্তু ওয়াসার রাস্তা খোঁড়াখুড়িতে ধুলা আর যানজট কমছে না। পথচারীরা বলছেন, সবসময় রাস্তা খোঁড়াখুড়ি করার ফলে যানজটের সমস্যায় পড়তে হয়। আর বর্ষার সময় কাঁদা হয় যার কারণে গাড়ি ঠিক মত চলাচল করতে পারে না।
কাজের মান নিয়ে আপোষ না করায় দুর্ভোগ কমাতে আরো কিছু সময় লাগার কথা জানালেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু।
তিনি বলেন, আমি ওয়ার্ডবাসীদের কাছে ওয়াদা করে আসছি এলাকার জন্য কাজ করব। তাই সবাইকে নিয়ে কাজ করছি। কোনো ভয়ভীতির কাছে আমি আপোষ করব না, কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না এটাই অামার অঙ্গীকার।
প্রধান সড়কের ওপর থাকা বড় ডাস্টবিনের ময়লার গন্ধে অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ আর স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কবে দূর হবে এই প্রশ্ন ওয়ার্ডবাসীর।








