‘আমরা বিশ্বসেরা হওয়ার যোগ্য। সেটাই আমরা আজ প্রমাণ করেছি।’ -পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের পর বেলজিয়ামের গোলস্কোরার কেভিন ডি ব্রুইনের উচ্ছ্বাসমাখা কথা ছিল এমনই।
ডাগআউটে ফেরার পথে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দলগত পাওয়ার ফুটবলটা বিশ্বকে দেখিয়েছি। বিশেষ করে প্রথমার্ধে আমরা অসাধারণ খেলেছি এবং দুই গোলে এগিয়ে গিয়েছি।’
ম্যাচের ১৩ মিনিটে ফার্নান্দিনহো নিজেদের জালে বল জড়ানোর পর ৩১ মিনিটে ডি ব্রুইনের অসাধারণ গোলেই ব্রাজিলের বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন গাড় করে বেলজিয়ানরা। রোমেলু লুকাকুর বাড়িয়ে দেয়া বলে ব্রাজিল বক্সের ২০ গজ দূর থেকে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রুইন।
এমন অসাধারণ জয়ের পরও অবশ্য ব্রাজিলকে খাটো করে দেখছেন না ডি ব্রুইন। প্রতিপক্ষকে যোগ্য সম্মানটা দিয়ে বলেছেন, ‘ব্রাজিল অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ। তাদের বিশ্বসেরা খেলোয়াড়রা রয়েছে। তাদের দলটিও চমৎকার। কিন্তু আমি মনে করি আমাদের দলীয় পারফরম্যান্স ও পাওয়ার ফুটবলের কাছে তাদের হারতে হয়েছে।’
বেলজিয়ামের এই দলটিকে কেন ‘সোনালী প্রজন্ম’ বলা হয় সেটা বেশ ভালভাবেই বুঝিয়ে দিচ্ছে তারা। ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলকে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে হারিয়ে সেমির বন্দরে পৌঁছা দারুণ ব্যাপার।
ব্রুইন বললেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল খেলা পরিবর্তন করে। আমরাও দুই একটি সুযোগ নষ্ট করি। ওরা একটি গোল দেয়ার পর ম্যাচটি স্নায়ুযুদ্ধে রূপ নেয়। যেখানে আমরা সঠিকভাবে খেলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছি। আর বিশ্বকে দেখিয়েছি আমরা বিশ্বসেরা হওয়ার যোগ্য।’
আসছে মঙ্গলবার সেমিফাইনালে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ নক আউটে আর্জেন্টিনা ও কোয়ার্টারে উরুগুয়েকে বিদায় করে দেয়া ফ্রান্স।








