ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ আগেই নিশ্চিত করেছিল আফগানিস্তান। বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও। এদিন দুদলের লড়াইটা ছিল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে একনম্বর হওয়ার। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আফগানিস্তান। ক্যারিবীয়দের পাত্তা না দিয়ে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে আফগানরা।
রোববার প্রথম ব্যাট করতে নেমে ১৯ বল বাকি থাকতে ২০৪ রানের অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ৯.২ ওভার হাতে রেখে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় আফগানিস্তান।
এই ম্যাচেও রান পাননি ক্রিস গেইল। তাই শুরুটাও ভাল হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দলীয় ১৬ রানের মাথায় মাত্র ১০ রান করে আউট হন গেইল। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন এভিন লুইস ও সাই হোপ। কিন্তু ২৭ রান করেই ফেরেন লুইস। বেশি দূর যেতে পারেননি হোপ (২৩) ও মারলন স্যামুয়েলস (১৭)। রানের খাতা খোলার আগে ফেরেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডারও।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে যা একটু টেনেছেন সিমরন হেটমেয়ার ও রোভন পাওয়েল। দলীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন পাওয়েল। হেটমেয়ারের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। শেষ দিকে অ্যাসলে নার্স ২৬ করলে ২০০ ছাড়ায় ক্যারিবীয়দের ইনিংস।
আফগানিস্তানের সফল বোলার মুজিবুর রহমান। ৪৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। গুলবদিন নায়েব নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন দৌলত জাদরান, সরাফউদ্দিন আশরাফ ও রশিদ খান।
এক উইকেট নিলেও এদিন ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন রশিদ খান। সব চেয়ে কম ম্যাচ ও কম বয়সে আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে শততম উইকেট নেয়ার রেকর্ড করেছেন।মাত্র ৪৪ ম্যাচেই নিলেন ১০০ উইকেট।
সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানের শুরুটাও হয় দারুণ। ৯.৪ ওভারে ৫৮ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হয় ওপেনিং জুটি। তাতে অবদানটা মোহাম্মদ শাহজাদেরই বেশি। এসময় ১৭ রান করে আউট হন গুলবদিন নায়েব।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে রহমত শাহকে নিয়ে ৯০ রান তোলেন শাহজাদ। যদিও ১৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় তার। ৮৪ রান করে গেইলের শিকার হন। পরে ৫১ রান করা রহমতকেও ফেরান গেইল।
দুই সেট ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেও জয় পেতে কোনো বেগ পেতে হয়নি আফগানদের। ৩৬ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ শেষ করেন মোহাম্মদ নবি ও সামিউল্লাহ শেনওয়ারি। নবি মাত্র ১২ বলে ২৭ রান আর শেনওয়ারি ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচসেরার পুরষ্কার পেয়েছেন ৮৪ রান করা মোহাম্মদ শাহজাদ। আর টুর্নামেন্ট সেরার ট্রফি উঠেছে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ মিস করা জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।






