রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে পড়ছে ভালোভাবেই। যৌথ বিবৃতিতে ফিফা ও উয়েফা রাশিয়ার জাতীয় দল এবং ক্লাবগুলোকে ফুটবল থেকে বহিষ্কার করেছে। রাগবিতেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেয়া হল কঠোর পদক্ষেপ।
রাগবির নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশ্ব রাগবি রাশিয়াকে বহিষ্কারাদেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে সহায়তার কারণে বেলারুশও বহিষ্কৃত হয়েছে। মঙ্গলবার রাশিয়া ও বেলারুশের উপর অনির্দিষ্টকালের এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
একইসঙ্গে বিশ্ব রাগবির সদস্যপদও হারাতে চলেছে রাশিয়া। আগামী বছর ফ্রান্সে হতে চলা রাগবি বিশ্বকাপে রাশিয়ার কোয়ালিফাই করার সম্ভাবনা ক্ষীণই যাবে এই নিষেধাজ্ঞার কারণে।
বিশ্ব রাগবি ইউক্রেনে প্রতিবেশী রাষ্ট্র রাশিয়ার আক্রমণাত্মক ‘আগ্রাসন’ এবং বেলারুশের সহায়তার পদক্ষেপে নিন্দা জানিয়ে কঠোর ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে।
‘বিশ্ব রাগবি এক্সিকিউটিভ কমিটি রাগবি পরিবারকে রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেয়ার এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সুপারিশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংঘর্ষের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
‘পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সবধরনের আন্তর্জাতিক রাগবি এবং ক্রস-বর্ডার ক্লাব রাগবি কার্যক্রম থেকে রাশিয়া এবং বেলারুশকে বহিষ্কারাদেশ দেয়া হল। বিশ্ব রাগবির সদস্যপদ থেকে রাশিয়ার রাগবি ইউনিয়নকে সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ দেয়া হবে।’
‘রাগবির প্রতি সংহতি, অখণ্ডতা এবং হৃদয়ে শ্রদ্ধার মূল্যবোধের স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’ ইউক্রেনের রাগবি অঙ্গনের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সংস্থাটি।
রাশিয়া ২০২৩ রাগবি বিশ্বকাপের জন্য ইউরোপীয় অঞ্চলে বাছাইপর্ব খেলছিল। টেবিলের পঞ্চম স্থানে থাকা রুশদের হাতে ছিল ৩ ম্যাচ। শীর্ষ দুই দল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
টেবিলের শীর্ষে থাকা জর্জিয়ার বিপক্ষে রাশানদের ম্যাচ দুদিন আগে হওয়ার কথা ছিল। সেই ম্যাচ স্থগিত করা হয়। মাসের শেষদিকে নেদারল্যান্ডস এবং পর্তুগালের বিপক্ষে রাশিয়ার শেষ দুটি ম্যাচও এখন আর হবে না।
২০১১ এবং ২০১৯ সালে রাশিয়া রাগবি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। দুবার বিশ্বকাপ খেললেও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি দেশটি।







