ঘরের মাটিতে অ্যাশেজে দারুণ সাফল্য পাওয়ার পরও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের হেড কোচের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন জাস্টিন ল্যাঙ্গার।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পদত্যাগ করেন। শনিবার সকালে ল্যাঙ্গারের ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ডিএসইজি’র বিবৃতির মাধ্যমে তার অবসরের কথা জানায়। বিবৃতি দেওয়ার সময় ল্যাঙ্গার মেলবোর্ন থেকে বিমানযোগে পার্থে যাচ্ছিলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ডিএসইজি নিশ্চিত করছে যে আমাদের ক্লায়েন্ট জাস্টিন ল্যাঙ্গার আজ সকালে অস্ট্রেলিয়ান পুরুষ ক্রিকেট দলের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। গত সন্ধ্যায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাথে একটি বৈঠকের পর পদত্যাগ করা হয়েছে। পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
ল্যাঙ্গারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তিনি দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। ল্যাঙ্গার হোবার্টে পঞ্চম অ্যাশেজ টেস্টের শেষ এবং গতকালের বোর্ড সভার মধ্যে সিএ প্রধান নির্বাহী নিক হকলি এবং জাতীয় দলের সিএ প্রধান বেন অলিভারের সঙ্গে একাধিকবার চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আট ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের ভেতর ল্যাঙ্গারের পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি এলো।
বৈঠকের পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া শুক্রবার রাতে বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ‘জাস্টিনের সাথে গোপনীয় আলোচনায় প্রবেশ করেছে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফলাফল ঘোষণা করা হবে।’
এটা স্পষ্ট যে, ল্যাঙ্গারের পদত্যাগে সিনিয়র খেলোয়াড়দের মতামত বড় ভূমিকা রেখেছে। নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়ের সঙ্গে ল্যাঙ্গারের সম্পর্ক প্রায় ১২ মাস ধরেই ভালো যাচ্ছিল না।
সাবেক অজি টেস্ট অধিনায়ক টিম পেইন, বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবং বর্তমান সীমিত ওভারের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বে খেলোয়াড়রা আগস্টে বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি সফরে বিপর্যয়ের পরে অ্যাডিলেডের হোটেল কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন ল্যাঙ্গারের সঙ্গে তৈরি হওয়া সংকট নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।








