এফডিসিতে নতুন ভবন নির্মিত হচ্ছে। সরকারের কাছে বলবো সেখানে ফারুক ভাইয়ের নামে ভবনের নামকরণ করলে ভালো হবে। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা, সূর্য সন্তান আমাদের স্মৃতিতে তিনি থাকবেন। রাজ্জাক ভাইয়ের নামে নামকরণ অর্ধেক হয়ে আছে।
সদ্য প্রয়াত ফারুককে নিয়ে এমন দাবি জানালেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তিনি বলেন, ফারুক ভাই নিজেই এফডিসির সমতুল্য, তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান।
“তার মতো নীতিবান মানুষ কম দেখেছি। কিডনি রোগী হলেও আন্দোলনের সময় হেঁটে এফডিসি থেকে সেন্সরবোর্ড পর্যন্ত যেতেন। তিনি যা বলতেন তাই করতেন। শেষ পাঁচ বছর ফারুক ভাইয়ের সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কেটেছে। তিনি এফডিসি ও সিনেমাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে এফডিসিতে আসছেন।”
জায়েদ খান বলেন, ফারুক ভাই কফি খেতে পছন্দ করতেন। এফডিসিতে নিয়মিত এসে শিল্পী সমিতিতে কফি খেতেন বলে শিল্পী সমিতিতে মেশিন এনেছিলাম। তিনি আমার পিতার সমতুল্য ছিলেন। বন্ধুর মত আচরণ করতেন। বাসা থেকে নাড়ু, দুধ আনতেন। কাঁঠাল খাওয়াতেন। তার সাথে আমার স্মৃতি বললে শেষ হবে না।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ফারুকের মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানেই মিয়া ভাই খ্যাত এই নায়ককে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে সেই অনুষ্ঠানে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও স্পিকারের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য ফারুককে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় সিংগাপুরের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অভিনেতা ফারুক। মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হয়।
বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে শহীদ মিনার থেকে এফডিসির উদ্দেশে রওনা হয় চিত্রনায়ক ফারুককে বহনকারী লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি। এফডিসিতে হয় দ্বিতীয় জানাজা। সেখান থেকে পৌনে ৩টায় চ্যানেল আইয়ে নেওয়া হয় ফারুককে।








