চোটের কারণে তামিম ইকবাল ছিটকে যাওয়ায় ওপেনিংয়ে অভিজ্ঞ কাউকে পায়নি বাংলাদেশ। অনভিজ্ঞ দুই ওপেনার জাকির হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয় দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করায় স্বাগতিকদের কাজটা সহজ হয়ে গেছে। তিনে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর দুই ইনিংসেই দাপুটে সেঞ্চুরি গড়ে দিয়েছে আফগানিস্তানের সঙ্গে ব্যবধান।
তারুণনির্ভর টপঅর্ডার লিটন দাসের দলকে উপহার দিয়েছে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু। টাইগার পেসারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বেশি চোখে পড়লেও শুরুর দিকের ব্যাটাররাই গড়ে দেন জয়ের ভিত।
আফগানদের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ৫৪৬ রানের রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস তরুণদের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে জানালেন, টপঅর্ডার থেকে রান আসাটা কতটা জরুরি ভালো টেস্টের লড়াইকে দীর্ঘায়িত করতে।
‘আমাদের ব্যাটিং আগে নড়বড়ে ছিল। টেস্টে যদি টপঅর্ডার পারফর্ম না করে তাহলে খুব কঠিন ফিরে আসা। এদিক দিয়ে আমরা খুশি যে ব্যাটাররা পারফর্ম করছে। এটা ভালো দিক যে আমাদের ব্যাটাররা ক্যারেক্টার শো করছে। জাকির কেবল তৃতীয় টেস্ট খেলেছে। কখনোই মনে হয়নি কেবল তৃতীয় টেস্ট খেলছে। ওর ভেতরে পরিপক্কতা এসেছে, একই কথা জয়ের বেলাতেও। জয় নিউজিল্যান্ডেও গেল। ওই যে কারেক্টার শো করছে, আমরা চাই এরকম কারেক্টার শো করবে। ডিটারমেনেশন অনেক হাই থাকবে যে দেশকে অনেক কিছু দিতে পারব। জাকির যদি রান আউট না হতো আরও বড় ইনিংস খেলতে পারত। যেভাবে সে খেলেছে আমি খুশি।’
‘আপনি যদি বড় দল হতে চান, পাঁচ দিন ক্রিকেট খেলতে চান তাহলে টপ থেকে রান আসাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বোলিংও যদি দেখেন অফ স্পিনার, বাঁহাতি স্পিনার…পেসাররা সবাই ভালো করছে। পাইপলাইনে চার-পাঁচজন পেসার আছে যাদের যেকোনো সময় নামিয়ে দেওয়া যায়। এদিক থেকে বলব আমাদের বোলিং খুবই শক্তিশালী।’







