নরসিংদীর পলাশে অটোরিকশার ভাড়া করা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সুমন মিয়া (৩০) নামে একজন যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার বাবা আলম মিয়া (৪৫)। তারা দু’জনই পেশায় রাজমিস্ত্রী।
সোমবার (১০ মার্চ) রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, বিকেল ৪টার দিকে জয়নগর গ্রাম থেকে ডাঙ্গা বাজারে যাওয়ার জন্য ব্যাটারি চালিত একটি অটোরিকশা ঠিক করেন নিহত সুমনের চাচা মুকুল মিয়া। এসময় একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে তারেক, আইয়ুব মিয়া, নাজমুল হোসেন ও মোমেন মিয়া ওই অটোরিকশা নিয়ে বেশি ভাড়া দেবে বলে বাজারে যাওয়ার জন্য ওই অটোরিকশা চালককে চাপ প্রয়োগ করেন।
তারা জানান, বিষয়টি নিয়ে নিহত সুমন মিয়া ও তার চাচা মুকুল মিয়ার সাথে তারেকদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর একে অপরের সাথে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। তারই জের ধরে রাত সোয়া আটটার দিকে তারেকরা সংঘবদ্ধ হয়ে মুকুল মিয়ার বাড়িতে হামলা করতে যায়। এসময় বাড়ির পাশে আজিজুল মিয়ার মুদি দোকানের সামনে সুমন ও তার বাবা আলম মিয়াকে পেয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নরসিংদী ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া হামলায় আহত আলম মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় আলম মিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। তদন্তের পর এই হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে। হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







