‘বাসায় থাকিস, টাকা দিবি না’ বলেই ফটকে কোপানো শুরু

রাজধানীর আদাবরে শ্যামলী হাউজিং এলাকায় একটি বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল দেশি অস্ত্র নিয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালায়।
এ সময় তারা বাড়ির মূল ফটকে চাপাতি ও রামদা দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে।
শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বাড়ির মালিক আমিনুর রহমান খানের ভাতিজা মো. রাজু জানান, হামলাকারীরা প্রথমে বাড়ির মূল ফটক খুলে সবাইকে বের হয়ে যেতে বলে। ভেতর থেকে কেউ বের না হওয়ায় তারা বাইরে থেকে ‘টাকা দে, বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না। বের হ’ বলে হুমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে।
রাজু বলেন, হামলাকারীরা বাড়ির গেটের সামনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাচ ভাঙচুর করে। পরে ইটের টুকরা দিয়ে দ্বিতীয় তলার আরও দুটি জানালার কাচও ভেঙে ফেলে।
তিনি বলেন, ‘ভোরে বাড়িতে হামলার পর অনেক ভাড়াটিয়া নেমে আসে। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। থানায় গেলে আদাবর থানার ওসি অন্য কাজে ব্যস্ত আছেন বলে জানান। এরপর পুরো ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আদাবরে বাড়ি দখল ও অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
৯৯৯-এ ফোন করার পর প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল পৌনে ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় বলে অভিযোগ করেন রাজু। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি বলেন, ‘পুলিশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গেছে।’
রাজু আরও অভিযোগ করেন, এর আগে একবার আদাবর থানার ওসিকে ওই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে দেখা গেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বাড়িটির বিষয়ে অভিযোগ ছিল। আমার পুলিশিং স্টাইল আলাদা। আমি একা একা কাজ করি। তদন্তের কাজে ওই বাড়ির সামনে গিয়ে ভিডিও করা হয়েছিল।’




