ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে গাজা উপত্যকায় শাসক দল হামাস তাদের নতুন প্রধান হিসেবে ইয়াহিয়া সিনওয়ার নাম ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে হামাস।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
গত ৩১ জুলাই ইরানে হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়ার হামলা নিহত হন। এই হামলায় তার একজন দেহরক্ষীও প্রাণ হারিয়েছেন। ইসরায়েলকে এই হামলার জন্য জবাব দিতে হবে বলে ঘোষণা করে ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাস।
এক বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, হামাস তাদের নতুন রাজনৈতিক প্রধান হিসেবে ৬১ বছর বয়সী ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি শহিদ কমান্ডার ইসমাইল হানিয়াহের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। শুধু অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর আক্রমণে কমপক্ষে ১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। দেইর এল-বালায় ইসরাইলি বাহিনীর সবশেষ হামলায় প্রাণ গেছে ৩ জনের। আহত হয়েছেন ১০ জনেরও বেশি।
এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ওদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননের মায়ফাদউন শহরে একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে পাঁচ হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। জবাবে ইসরায়েলর উত্তরাঞ্চলের একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে এক ঝাঁক ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। তবে এতে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডের ভেতরে ঢুকে হামাস যোদ্ধাদের নজিরবিহীন হামলার পেছনে তাকে প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে দেখে থাকে ইসরায়েল। এই হামলায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস। হামাসের এই হামলার পরই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।








