আইসিসির পরিকল্পনা ছিল ২০২৭ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র হবে দেশগুলোকে দুই স্তরে ভাগ করে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। টেস্ট মর্যাদা পাওয়া ১২ দলকে একই কাঠামোতে রেখে হবে চ্যাম্পিয়নশিপ। একইসঙ্গে অল্পসময় হওয়া ওয়ানডে সুপার লিগ আবারও চালুর সম্ভাবনা জেগেছে।
নিউজিল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার রজার টুজের প্রতিনিধিত্বে ক্রিকেটের তিন সংস্করণ নিয়ে কর্মকমিটির সদস্যরা আইসিসির বোর্ড ও চিফ এক্সিকিউটিভ কমিটির কাছে এই সুপারিশ করেছে। যার মধ্যে আছে পরবর্তী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের জন্য দ্বিস্তর পরিকল্পনা বাতিল করা।
রজার টুজের নেতৃত্বে গঠিত ওয়ার্কিং কমিটি তিন ফরম্যাটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করছে। দ্বিস্তর কাঠামোর ক্ষেত্রে মোটাদাগে আর্থিক সমস্যায় পড়ত ছোট দলগুলো। তিন মোড়লখ্যাত ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় স্তরের দলগুলোকে আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল। সেটিও কার্যকর হয়নি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো দেশগুলো পড়ত দ্বিতীয় স্তরে। এতে ম্যাচ কমে যেত। সেজন্য কমিটি বিরোধিতা করেছে দ্বিস্তর পরিকল্পনার। যাতে দেশগুলোর উন্নতি ও অবনমনের বিষয়টি সমস্যার সৃষ্টি করছিল।
ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান রিচার্ড থম্পসন যা নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমরা চাই না, ইংল্যান্ডের মতো দল খারাপ সময়ে যাক, যার জন্য দ্বিতীয় স্তরে খেলতে হবে। সেখানে গিয়ে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে না পারা, যা ঘটতে দেয়া যাবে না। একটি শূন্য সময়ের মধ্যে পড়ুক, এটি ঘটতে দেয়া যাবে না।’
কর্মকমিটি ঠিক করেছে, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী চক্র ১২ দল নিয়ে হবে। যেখানে আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। প্রতিটি দলকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক টেস্ট খেলার জন্য বাধ্য করা হবে। তবে আয়োজনের জন্য বা অতিরিক্ত অর্থায়ন পাবে না।
সাদা বলের সংস্করণেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর বাতিল হওয়া ১৩ দলের সুপার লিগ চালু করতে পারে আইসিসি। যা আবার শুরু হতে পারে ২০২৮ সাল থেকে।
তবে আইসিসির হাতে ওয়ানডে দলের সংখ্যা বাড়ানোর কোন পরিকল্পনা নেই। যেখানে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত, ২০২৭ বিশ্বকাপ হবে ১৪ দলের। আগের দুই আসরেও যা ছিল সমান দলের। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকছে ২০ দলই। তবে সময়ের সাথে দল বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।







