বহুল প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে। প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে সেটিকে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় ট্রফি নিয়ে যাওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। জাতীয় সংসদ ভবনের লবিতে বাফুফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক ট্রফি বরণ করে নেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বাফুফে প্রতিনিধি ও ট্রফি বহনকারী দলের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তিনি তার পরিবারের সদস্যগণের খেলাধুলায় বিশেষ করে ফুটবলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার স্মৃতিচারণ করেন। এছাড়া প্রথমবারের মত বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফির আনায় ফিফা, কোকাকোলা এবং বাফুফেসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, ফিফা ট্রফির বাংলাদেশ ভ্রমণের ফলে দেশের ক্রিড়াপ্রেমীরা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম উৎসাহিত হবে।
তিনি বলেন, ‘ফুটবল বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’
বুধবার সকাল ১১টার কিছু পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশ্বকাপ ট্রফি বহনকারী ফিফার বিশেষ বিমান অবতরণ করে। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কোকাকোলার কর্মকর্তারা ট্রফি গ্রহণ করেন।
ফিফা ও কোকাকোলার সৌজন্যে বাংলাদেশে এলো ট্রফি। অবশ্য এখনই সেটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে না।
২০১৩ সালে যে ট্রফিটা এসেছিল, সেটি ছিল আসল ট্রফির রেপ্লিকা। এবার এসেছে আসল ট্রফি। বাংলাদেশে ৩৬ ঘণ্টা সফর শেষে আগামীকাল রাত ১২টা ১০ মিনিটে ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফি ২০২২ উড়াল দেবে পরবর্তী গন্তব্য পূর্ব তিমুরের উদ্দেশে।








