অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়ার আয়তন ১,০৯৩ বর্গমাইল। সোয়া দুই লাখের কিছু বেশি জনসংখ্যার দেশটি বিস্ময়ের জন্ম দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী বছর মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে সামোয়া। দেশটি যেকোনো ফরম্যাট ও পর্যায়ে এবারই প্রথম কেটেছে বিশ্বকাপের টিকিট।
পূর্ব এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সামোয়ার সঙ্গে অংশ নেয় স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, ফিজি ও পাপুয়া নিউগিনি। চার দলের মধ্যে তুলনামূলক কমশক্তির দল হিসেবে খেলতে এসে সামোয়ার মেয়েরা করেছে বাজিমাত। ডাবল হেডার লিগ পদ্ধতির বাছাইয়ে ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে দেশটি বিশ্বআসরে আসছে।
সোমবার বালিতে ফিজির মেয়েদের ৭ উইকেটে ৮৭ রানে আটকানোর পর ৩৪ বল হাতে রেখে সামোয়া ৪ উইকেটের জয় পায়। তাতেই গড়ে নতুন ইতিহাস।
মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে যৌথভাবে আগামী বছর বসবে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। আইসিসি অবশ্য এখনো সূচি ঘোষণা করেনি।
১৯৬২ সালের ১ জানুয়ারি নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে সামোয়া। ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ফিয়ামে মাতা’আফা ফাউমুইনা বুধ ও শনিবার ছাড়া ক্রিকেট খেলা নিষিদ্ধ করেছিলেন। ঘূর্ণিঝড়ের পরে সামোয়ানদের আবর্জনা পরিষ্কারে উদাসীনতা যেন না আসে, সেজন্যই এমন নিষেধাজ্ঞা ছিল।
আইসিসি ২০১৮ সালের এপ্রিলে সংস্থার সকল সদস্যকে পূর্ণ টি-টুয়েন্টির দেশের মর্যাদা দেয়। যার প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সামোয়া পূর্ণ টি-টুয়েন্টির দেশের মর্যাদা নিয়ে খেলতে থাকে।








