উত্তরাঞ্চলের জনজীবন ও কৃষিতে প্রকৃতির প্রভাব আরও গভীর হচ্ছে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তেঁতুলিয়ায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ভোরের ঘন কুয়াশা জনজীবনকে স্থবির করে তুলেছে, পাশাপাশি তীব্র শীতে শীতজনিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আজ (২৯ নভেম্বর) শুক্রবার সকালে তেঁতুলিয়ায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। বাতাসে আর্দ্রতা ৭৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেক কম। তেঁতুলিয়াসহ উত্তরাঞ্চলের শীতপ্রবণ এলাকায় দিন দিন কমছে তাপমাত্রা।
উত্তরাঞ্চলের শীতপ্রবণ এলাকাগুলোতে ভোরের দকে ঘন কুয়াশার কারণে পথঘাট ঢেকে থাকে, ফলে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তীব্র ঠাণ্ডার কারণে মানুষজন আগুন পোহানোর আশ্রয় নিচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষেরা বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শীতের তীব্রতা ও ঘন কুয়াশা সরাসরি কৃষিজমিতে প্রভাব ফেলছে। আমন ধান কাটার সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও কুয়াশার কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সরিষা, আলু ও সবজির ক্ষেতেও ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আলুর গাছে পচন ধরার ঝুঁকি বেড়েছে।
ঠাণ্ডাজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া, ও শ্বাসকষ্টের রোগী হাসপাতালে বাড়ছে। শিশু ও বয়স্ক মানুষ বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ধরনের কনকনে শীত প্রতি বছরই আসে, তবে এবছর তা আরও তীব্রতর বলে মনে হচ্ছে। অনেকে গরম কাপড়ের অভাবে সমস্যায় পড়ছেন।








