ঝাড়খণ্ডে নিজের কিশোরী স্ত্রীকে পুরুষদের সঙ্গে কথা বলার ‘অপরাধে’ গলা কেটে হত্যার অভিযোগে ২০ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম জয়রাম মুর্মু।
আজ (১৬ জুলাই) বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর জয়রাম স্ত্রী সোনিয়ার মরদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে সাইকেলে বহন করে একটি নালায় ফেলে দেয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ১৩ জুলাই রাতে জয়রাম মুর্মু ও তার স্ত্রী সোনিয়ার মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। কারণ, জয়রাম অভিযোগ করেন- তার স্ত্রী কয়েকজন যুবকের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলত, যা তাকে ক্ষুব্ধ করত।
তবে রাতেই স্ত্রীকে এবং তার দুই বন্ধুকে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে নিয়ে যায় জয়রাম। সেখানে সবাই একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে। তারা স্থানীয়ভাবে তৈরি হাড়িয়া (চালের মদ) পান করেছিলেন, যার ফলে দুই বন্ধু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
এরপর জয়রাম স্ত্রীকে একটি আলাদা ঘরে নিয়ে গিয়ে আলিঙ্গনের ভান করে একটি ব্লেড দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর সোনিয়ার মরদেহ প্লাস্টিকের বস্তায় ঢুকিয়ে সাইকেলে করে বহন করে একটি নালায় ফেলে দেয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জয়রাম হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, স্ত্রী সোনিয়ার সঙ্গে অন্য ছেলেদের কথা বলায় তিনি অসম্মানিত বোধ করছিলেন, এবং এই কারণেই এই ভয়াবহ পদক্ষেপ নেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ব্লেড ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। সোনিয়ার দুই বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জয়রামের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।








