চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সেরা বন্ড কে?

ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্টি ব্রিটিশ এজেন্ট জেমস বন্ডের ভক্ত বিশ্বজুড়ে। ‘নো টাইম টু ডাই’ ছবিতে শেষবারের মতো জনপ্রিয় এই চরিত্রে দেখা যাবে ড্যানিয়েল ক্রেগকে। এর আগে চৌকশ এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরও পাঁচ অভিনেতা। জেমস বন্ড চরিত্রটি পর্দায় কে সবচেয়ে বেশি জীবন্ত করে তুলতে পেরেছেন, তা নিয়ে আছে নানা জনের নানা মত। জেনে নিন পর্দার ছয় জেমস বন্ড সম্পর্কে:

জর্জ লাজেনবি: নামীদামী হলিউড তারকাদের বাদ দিয়ে যখন অস্ট্রেলিয়ান মডেল জর্জ লাজেনবিকে জেমস বন্ড চরিত্রে নেয়া হলো, তখন সবার চোখ কপালে! অনেকেই মনে করেছিলেন ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রে বেমানান লাগবে তাকে। তবে তা হয়নি। ‘অন হার ম্যাজিস্টি’স সিক্রেট সার্ভিস’ ছবিতে ‘জেমস বন্ড’ হিসেবে ভালো অভিনয় করেছিলেন জর্জ লাজেনবি। তবে সম্মানজনক এই চরিত্রে একবারই কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন অভিনেতা।

টিমোথি ডালটন: ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রে দারুণ অভিনয় করেছিলেন টিমোথি ডালটন। তবে তাকে সেরা বলা যায় না। ভক্তদের মতে, তিনি ‘হ্যান্ডসাম’ বন্ড ছিলেন না। বন্ড হিসেবে মাত্র দুটি ছবিতে দেখা গেছে তাকে।

রজার মুর: ব্রিটিশ অভিনেতা রজার মুরকে ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রে দেখা যায়। ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত এই সিরিজের সাতটি ছবিতে তিনি জেমস বন্ড হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পিয়ার্স ব্রসনান: পিয়ার্স ব্রসনান ছিলেন তার সময়ের ‘পারফেক্ট’ বন্ড। সুদর্শন এই অভিনেতা জেমস বন্ড হিসেবে দর্শকের প্রত্যাশা শতভাগ পূরণ করতে পেরেছিলেন। ‘গোল্ডেন আই’, ‘টুমরো নেভার ডাইস’, ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ’ এবং ‘ডাই অ্যানাদার ডে’ ছবিতে বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ব্রসনান। এর মাঝে তিনটি ছবি ভালো ব্যবসা করেছিল।

ড্যানিয়েল ক্রেগ: বন্ড হিসেবে ড্যানিয়েল ক্রেগ খাটো, এমনটাই বলেছিলেন সমালোচকরা। তবে ক্রেগ নিজেকে প্রমাণ করে সবাইকে ভুল প্রমাণ করেছেন। জেমস বন্ড হিসেবে প্রতিটি ছবিতেই তিনি দর্শকের ভালোবাসা ও প্রশংসা পেয়েছেন। সাম্প্রতিক সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ছবি ‘নো টাইম টু ডাই’-এ ব্রিটিশ সিক্রেট এজেন্ট হিসেবে ড্যানিয়েল ক্রেগকে শেষবারের মতো দেখা যাবে। ড্যানিয়েল ক্রেগ জেমস বন্ড সিরিজের পাঁচটি ছবিতে অভিনয় করেছেন।

শন কনারি: জেমস বন্ড হিসেবে ‘সবচেয়ে জনপ্রিয়’ ছিলেন শন কনারি। সবচেয়ে জনপ্রিয় জেমস বন্ড কে সেটা জানার জন্য রেডিও টাইমস একটি জরিপ চালায়। সেখানে ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে রজার মুর, পিয়ার্স ব্রসনান, ড্যানিয়েল ক্রেগের মতো বন্ডদের হারিয়েছিলেন শন কনারি।

‘ডক্টর নো’, ‘ইউ অনলি লিভ টোয়াইস’, ‘ডায়মন্ডস আর ফরেভার’, ‘নেভার সে নেভার এগেইন’— একের পর এক ছবিতে বন্ডকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন কনারি। ১৯৬২ থেকে ১৯৮৩ পর্যন্ত ৭টি বন্ড-ফিল্মে দেখা গিয়েছিল শন কনারিকে। -ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিজ্ঞাপন