দেশ যখন স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায়, তখনই একটি মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ (৮ আগস্ট) শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, যখন নতুন করে দেশ গড়ার পথচলা শুরু হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনের কাজে এগিয়ে যাচ্ছেন, তখনই একটি মহল আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার সংসদীয় পদ্ধতিতে জনগণের সমস্যার সমাধান করতে চায়।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, কিন্তু এমন সময়ে একটি মহল রাজপথে নেমে অন্যায়ভাবে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। অতীতেও দেখা গেছে, দেশ যখন উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যেতে থাকে, তখন একটি মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে সেই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করে। এই কারণে সবাইকে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে।
দেশ পুনর্গঠনে চিকিৎসকদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ড্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন ও জাতীয় সংকটে সংগঠনটির চিকিৎসকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় জীবন ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য তিনি চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান।
রোহিঙ্গাদের আগমনের সময় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ড্যাবের চিকিৎসকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন মির্জা ফখরুল। পাশাপাশি বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনে যারা ভূমিকা রেখেছেন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়নে কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২২ শতাংশে উন্নীত করার প্রত্যাশা রয়েছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে একটি উন্নত, মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সমাজের শিক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণির মানুষকে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, উন্নয়ন, মানবিকতা ও সাম্যের ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।








