চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

তারেক রহমানের ভারত সফর ও শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন রিভা গঙ্গোপাধ্যায়

চ্যানেল আই অনলাইন চ্যানেল আই অনলাইন
১২:০৭ অপরাহ্ণ ০৮, আগস্ট ২০২৬
সাক্ষাতকার
A A

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে লাইভ প্রেস কনফারেন্স করেছেন, তা নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে একটা নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে বসে শেখ হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ইত্যাদি বিষয়ে ডয়চে ভেলের সাথে কথা বলেছেন, বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাইকমিশনার রিভা গঙ্গোপাধ্যায় । সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডয়চে ভেলের প্রতিবেদক সমন্তক।

চ্যানেল আইয়ের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি দেওয়া হলো।

প্রশ্ন: আমি প্রথমেই যেটা জানতে চাইব, যেই প্রেস কনফারেন্সটা আমরা দেখলাম, একজন ডিপ্লোম্যাট হিসেবে আপনি এই প্রেস কনফারেন্সটাকে কীভাবে দেখেন? তার কারণ শেখ হাসিনা এখানে রাজনৈতিক আশ্রয়প্রাপ্ত। ভারত যদি তাকে এন্ডোর্স না করত, তাহলে কি তিনি এই প্রেস কনফারেন্স করতে পারতেন?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন শেখ হাসিনা ভারতে যখন এসেছিলেন, তখন তিনি কয়েক ঘন্টা আগে অব্দি প্রাইম মিনিস্টার ছিলেন। তো উনি ভারতে কিন্তু ফর্মাল প্রাইম মিনিস্টার হিসেবে এসেছেন। সেজন্য বাংলাদেশ সরকার যে কনভিক্টেড ক্রিমিনাল হিসেবে উনাকে সবসময় ডেজিগনেট করে, অ্যাজ ফার অ্যাজ উই আর কনসার্নড, উনি তো  পালিয়েও আসেননি, মধ্যরাতেও আসেননি, ছদ্মবেশে আসেননি, উনাকে উনার দেশের আর্মড ফোর্সেস ভারতে দিয়ে গেছে ফর হার সিকিউরিটি। তো উনার স্ট্যাটাসটা যেটা সেটা ভারতে আর একটা ইতিহাস বলে জিনিস আছে। ইতিহাস এই বলে যে আওয়ামী লীগ প্লাস শেখ হাসিনার সাথে আমাদের একটা অন্য ধরনের অনেক পুরোনো রিলেশনশিপ আছে।

প্রশ্ন: সেটা কূটনীতির বাইরের রিলেশনশিপ?
রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: সেটা অনেক অনেক ডিপ একটা রিলেশনশিপ। আর শেখ হাসিনা এখানে আগেও ছিলেন, অসম্ভব অ্যাডভার্স কন্ডিশনে, ছদ্মবেশে, ছদ্মনামে উনাকে থাকতে হয়েছিল সিকিউরিটির রিজন্সের জন্যে, যখন উনার পুরো পরিবারকে অ্যাসাসিনেট করা হয়। তো উনি আমাদের প্রুভেন ফ্রেন্ড। আপনারা যারা ভারত-বাংলাদেশ রিলেশন দেখেন, তারা দেখেছেন যে, উনার পিরিয়ডে যখন উনি প্রাইম মিনিস্টার ছিলেন অ্যান্ড আমাদের তরফ থেকে তখন ফর সাম পিরিয়ড মনমোহন সিং ওয়াজ প্রাইম মিনিস্টার, দ্যেন প্রাইম মিনিস্টার মোদীর পিরিয়ডে আমরা যা অ্যাচিভ করেছি ইন দোজ ইউ নো ইন দ্যাট ওয়ান সে ফুল ১৫ ইয়ার্স অফ হার বিয়িং ইন পাওয়ার, সেটা ইটস আনবিলিভেবল। আর এই এই জিনিসটা প্যারালালি চলেছে উইথ বাংলাদেশের ওন ইকোনমিক গ্রোথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ফর উইচ উই আর ভেরি হ্যাপি অ্যান্ড সেটার জন্য ইন্ডিয়ার সাথে ভালো রিলেশনশিপের ডেফিনেটলি একটা রোল আছে।

আর এটার একটা ইম্প্যাক্ট আমাদেরও নর্থ-ইস্টে পড়েছে যে, পার ক্যাপিটা ইনকাম গ্রো করেছে, পিস এসেছে, শান্তি এসেছে। তো উনার সাথে আমরা কিভাবে বিহেভ… উনি একটা আমাদের প্রুভেন বন্ধু। তো আমরা উনার সাথে যেভাবে বিহেভ করব এখন যখন উনি একটা অ্যাডভার্স সিচুয়েশনে আছে, সেটা তো আমাদের উপরে রিফ্লেক্ট করবে না? টু ভেরি লার্জ এক্সটেন্ট যে আমরা আমাদের প্রুভেন বন্ধুদের সাথে কিভাবে বিহেভ করি। তো সুতরাং উনি আমাদের দেশে আছেন অ্যাজ আ গেস্ট, আর সেটাকে তো কেউ লুকোয়নি। সেটা পার্লামেন্টারি ডিসকাশন হয়েছে, এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টার সুও মোটো স্টেটমেন্ট দিয়েছেন পার্লামেন্টে, সব পলিটিক্যাল পার্টির সাথে ডিসকাস হয়েছে।

সুতরাং উনি একটা প্রেস কনফারেন্স করে, আর একটা খুবই ইম্পর্টেন্ট মানে নিজের পার্সোনাল ডিসিশন উনি এই প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছেন। আর প্রেস কনফারেন্সটা ভেন্যুটাও তো দেখা উচিত, কার ইনভিটেশনে হয়েছে সেটাও দেখা উচিত। এটা তো কোনো ভারতের নাম্বার ওয়ান ভারতের প্রেস কাউন্সিল যদি কিছু করে সেটার মধ্যে ভারত সরকারের কোনো রোল নেই। আর এটা তো ইউ নো যে পুরো এশিয়া, সাউথ এশিয়া যারা করেসপন্ডেন্ট যারা পুরো সাউথ এশিয়া ওয়াচ করে, তারা ন্যাচারালি ইন্ডিয়াতে তাদের বেস, তাদের অর্গানাইজেশন উনাকে ডেকেছে। তো আই থিঙ্ক ইট ওয়াজ অ্যান অপরচুনিটি যেটা উনি দেখেছেন, দিস ওয়াজ আ গুড অপরচুনিটি ফর হার টু অ্যানাউন্স একটা ডিসিশন উইচ ইজ এক্সট্রিমলি ইম্পর্টেন্ট ফর হার পার্সোনালি অ্যান্ড ফর বাংলাদেশ আই ফিল।

Reneta

প্রশ্ন: এই আপনি যেই কথাটা বললেন তার সেকেন্ড পার্টটা খুব ইম্পর্টেন্ট কথা- ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে এটা হয়েছে যেটা সাউথ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাব, এটা শুধুমাত্র ভারতের করেসপন্ডেন্ট ক্লাব নয়, ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাব। তারা এটা ডেকেছিল এবং ইন্ডিয়া গভর্মেন্ট কিন্তু বাংলাদেশ যখন প্রথম, এই প্রেস কনফারেন্সের আগে যখন ভারতকে বলেছিল যে এই ধরনের প্রেস কনফারেন্স অ্যালাও করা উচিত নয়, তখন ভারত এক্স্যাক্টলি এই কথাটাই বলেছিল যে এটা গভর্মেন্টের কোনো অনুষ্ঠান নয় এবং বাইরের কোনো প্রাইভেট এন্টিটি যদি এটা করে, তাহলে আমাদের কিছু বলার নেই।

আমারও প্রশ্ন হচ্ছে যে, আমরা জানি যে এই ধরনের পলিটিক্যাল এক্সাইলে আরও অনেক দেশের অনেক মানুষ তারা বাইরে থাকেন। পশ্চিম এশিয়াতে প্রচুর মানুষ এরকম থেকেছেন বা থাকেন, ইউরোপে থেকেছেন। কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে আমরা এটা দেখেছি যে তারা কিন্তু এটা অ্যালাও করে না যে যদি কোনো পলিটিক্যাল শেল্টারে যদি কেউ থাকেন, তাহলে তাকে সেটা অ্যালাও করা হয় না, সেটা যেকোনো প্ল্যাটফর্মই হোক। ভারতে কি এই ধরনের কোনো নিয়ম বা কিছু আছে? ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে যা যা চুক্তি আছে, তার মধ্যেও লিখিত বা অলিখিতভাবে এই ধরনের কথা কি কখনো কোনো আলোচনায় এসেছে?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: নট দ্যাট আই অ্যাম অ্যাওয়ার অফ। আই ডোন্ট থিঙ্ক সো। আমি এরকম তো মানে অ্যাজ আ ডেমোক্রেটিক কান্ট্রি এগুলো লেখা খুবই অদ্ভুত। কারণ বাংলাদেশও ডেমোক্রেটিক, আমরাও ডেমোক্রেটিক। টু সে, যে অমুক করতে পারবে না, তমুক করতে পারবে না। আর দেখুন, ক্লিয়ারলি রাজনীতি করতে পারবে না। আর এটা বলা যে, উনি রাজনীতি করেছেন, উনি তো নিজের একটা ডিসিশন অ্যানাউন্স করেছেন। তো এই ডিসিশনটা উনি কিভাবে অ্যানাউন্স করবেন? ফিসফিস করে তো আর অ্যানাউন্স করবেন না। কারণ এটা উনার লাইফের বোধহয় সবচেয়ে ইম্পর্টেন্ট ডিসিশন যেটা উনি নিচ্ছেন। উনি একটা ফাঁসির মানে সেন্টেন্স মাথায় নিয়ে বলছেন আমি যাব। আর কি হবে আমি দেখে নেব, আমি আই অ্যাম রেডি টু টেক দ্য কনসিকুয়েন্সেস। তো এত বড় ডিসিশন উনি একটা ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে বলবেন না তো কোথায় বলবেন? মানে ইউ নো অ্যান্ড এটা তো উনি পলিটিক্স করছেন না। বরঞ্চ তারেক রহমান এত বছর ধরে ইউকে থেকে পলিটিক্স করেছেন। উনি একটা গোটা পার্টি চালিয়েছেন ইউকে থেকে বসে। তো আই থিঙ্ক এগুলো ইউ নো দিজ আর ম্যাটার্স অফ হাউ আ কান্ট্রি সিজ ইটস ওন ডেমোক্রেটিক ক্রিডেনশিয়ালস আর তার পার্সোনাল রিলেশনশিপ সেই নেতা বা নেত্রীর সাথে কি।

প্রশ্ন: কামিং টু তারেক রহমান, আপনি তারেক রহমানের কথা বলছিলেন। তারেক রহমান এখন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। এবং তারেক রহমান এই ঘটনার পরে, তারেক রহমান নন কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এই ঘটনার পরে ভারতকে একটা চিঠি দিয়েছে। আমি ভেবেছিলাম এই প্রশ্নটা আমি একদম শেষে গিয়ে করব, কিন্তু যেহেতু এই কনটেক্সটটা তৈরি হয়ে গেল যে যেই চিঠিটা ভারতকে দিয়েছে, সেটা একটা ডিপ্লোম্যাটিক চিঠি, কূটনৈতিক চিঠি। সেখানে দুটো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, একটা হচ্ছে জেনোসাইডাল, যেটা একটা খুব ইম্পর্টেন্ট শব্দ কূটনীতির ভাষায়।

দুই হচ্ছে, উই আর নট আ ক্লায়েন্ট স্টেট। এই দুটো শব্দও আমার মনে হয় যে একটা কূটনীতির যখন যেই চিঠি চালাচালি হয়, প্রত্যেকটা শব্দ খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়। এই দুটো শব্দ আমার মনে হয় খুব লোডেড শব্দ। একজন কূটনীতিক হিসেবে আপনি এই দুটো শব্দকে কীভাবে দেখছেন এবং যেই লাস্ট যেই চিঠিটা ভারতকে দেওয়া হয়েছে, সেই চিঠিটার ইম্প্যাক্ট কতটা বলে আপনার মনে হয়?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন এই যে এটা অ্যাজ ফার অ্যাজ আই নো ইটস আ প্রেস রিলিজ, একটা বিশাল প্রেস রিলিজ। দেখুন ডিপ্লোমেসিতে নাম্বার ওয়ান, হ্যাঁ প্রেস রিলিজে খুব ক্লিয়ারলি মানে না, ফার্স্ট এটা বলি যে খুব খুব ভেবেচিন্তে ওয়ার্ডস সিলেক্ট করা হয়, নাম্বার ওয়ান। এটা আমাদের ট্রেনিং, মানে এটাই আমাদের শেখানো হয় যে ওয়ার্ডস হ্যাভ কনসিকুয়েন্সেস, সো ইউ হ্যাভ টু সিলেক্ট দ্য ওয়ার্ড ভেরি কেয়ারফুলি। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে যে প্রেস রিলিজ জেনারেলি একটা ছোট্ট জিনিস হয়। আপনি নিজের বক্তব্যটা রাখলেন, শেষ করে দিলেন। কিন্তু এই যেটা ইস্যু হয়েছে ওটা ক্লিয়ারলি ডিপ্লোম্যাটিক না, হ্যাঁ। কারণ ওটার মধ্যে অনেকগুলো প্যারাগ্রাফ আছে যেটা অ্যাকচুয়ালি বাংলাদেশ ফরেন মিনিস্ট্রি নিজের নিজেদের গভর্মেন্টের পুরোনো শেখ হাসিনার টাইমের গভর্মেন্টের অনেক কিছু ডেসক্রাইব করছে। তো এটা আই থিঙ্ক পুটস দ্য বাংলাদেশ ফরেন মিনিস্ট্রি অলসো ইন আ ভেরি অকোয়ার্ড পজিশন।

প্রশ্ন: আমি এক মিনিট ইন্টারাপ্ট করছি, তার মানে আপনি এই চিঠিটাকে ডিপ্লোম্যাটিক চিঠি হিসেবে গণ্যই করছেন না? মানে ইউ আর নট কনসিডারিং ইট অ্যাজ আ ডিপ্লোম্যাটিক…

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: ইট কুড হ্যাভ বিন আ শর্ট শর্ট থিং যেখানে বাংলাদেশ গভর্মেন্ট যেটা পছন্দ করেনি সেটা এক্সপ্রেস করা যেত। কিন্তু ফরেন অফিসকে ড্র্যাগ করে একটা পুরোনো সরকারের বিষয়ে এইসব কথা বলানো, এটা ফরেন অফিসকে অসম্ভব বেশি একটা পলিটিক্যাল পজিশনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সো আই থিঙ্ক এই এই যে প্রেস রিলিজটা ইস্যু হয়েছে, আর অবশ্য আমি কারণ বাংলাদেশ নিউজ টিভি ফলো করি, তো এটাও দেখলাম যে এই ডিপ্লোম্যাটিক নোটটা নাকি মানে এই প্রেস রিলিজটা নাকি আট থেকে নয় বার রিড্রাফট হয়েছে। মানে এটা একবার পোস্ট করা হয়েছে, তারপর আবার নামিয়ে আবার রিড্রাফট হয়েছে, আবার নামিয়ে আবার রিড্রাফট হয়েছে।

তো ইনফ্যাক্ট যেটা ওদেরও অবসরপ্রাপ্ত ডিপ্লোম্যাটরা যারা এসব নিয়ে ডিসকাশন করছিলেন, বলছিলেন যে ভাষা কূটনৈতিক ভাষা নয় প্রেস রিলিজটার। প্রেস রিলিজের বিয়ন্ডে চলে গেছে। আর আমি পার্সোনালি যেটা দেখলাম সেটা হলো যে একটা ফরেন অফিস নিজেরই দেশের পুরোনো গভর্মেন্টের বিষয়ে এই ধরনের মন্তব্য করছে, এটা খুব আনইউজুয়াল, এটা খুবই আনইউজুয়াল। তো সেজন্য আমার এই প্রেস রিলিজটা ইজ আই থট ইট ওয়াজ রিয়েলি নট রিয়েলি লাইক আ প্রেস রিলিজ, ইট ডিড নট রিড লাইক আ প্রেস রিলিজ।

প্রশ্ন: তারেক রহমান এখন প্রধানমন্ত্রী এবং তার যেটা প্রথম বিদেশ সফর, সেটা চায়না। এটা কি ভারতের কাছে একটা থ্রেট।  দুই, তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পরে, তার কারণ আমরা জানি শেখ হাসিনার সময় পর্যন্ত, আপনিও সে সময় ছিলেন, আপনার সময়তে বেশ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হয়েছে। শেখ হাসিনা চলে আসার পরে মাঝখানের একটা বড় সময় প্রফেসর ইউনুস তিনি ছিলেন এবং তিনি চালিয়েছেন দেশ। সেই সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের একটা ভয়ঙ্কর টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তারেক রহমান আসার পরে কি সেটা কি খানিকটা বদলেছে, সিচুয়েশন কি খানিকটা বদলেছে বা ইমপ্রুভ করেছে? এবং তারেক রহমানের তারপরেই চায়না চলে যাওয়া, সেটাই বা আপনি একজন এক্স ডিপ্লোম্যাট হিসেবে কিভাবে দেখছেন?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন আমাদের তো নিশ্চয়ই এক্সপেক্টেশন ছিল যে রিলেশনশিপ ইউনুসের সময় যে একদম খুবই খারাপ অবস্থা ছিল রিলেশনশিপে, অনেক টেনশন ছিল, ডিস্ট্রাস্ট ছিল, সেটা আমাদের এক্সপেক্টেশন নিশ্চয়ই ছিল যে তারেক রহমান এলে ভালো হবে। কারণ তা না হলে আমাদের এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মিনিস্টার যেতেন না খালেদা জিয়ার ফিউনারেলে, না ওম বিড়লা যেতেন ওথ টেকিংয়ে। তো প্লাস প্রাইম মিনিস্টার, আমাদের প্রাইম মিনিস্টার ওয়াজ ওয়ান অফ দ্য ফার্স্ট যে উনাকে কংগ্রাচুলেট করেছে, উনাকে সপরিবারে ভারতে বাইল্যাটারাল ভিজিটের জন্য নিমন্ত্রণ করেছেন। তো এগুলো তো ভারত বিশাল সিগন্যাল দিয়েছে। আর নিশ্চয়ই এই সিগন্যালগুলো হাওয়াতে দেয়নি, এই সিগন্যালগুলো এজন্যই দেওয়া হয়েছে কারণ ভারতের রিডিংয়ে একটা এক্সপেক্টেশন ছিল যে আমরা একসাথে কাজ করতে পারব। আর কেন কাজ করতে পারব না? ভারত বাংলাদেশের নেইবারকে আপনি চেঞ্জ করতে পারবেন না। আপনার কতগুলো দুজনেই দুজনের সেন্সিটিভিটিজ বুঝে কাজ করতে হবে। কিন্তু কিন্তু আমরা সেটার কোন একটা খুব একটা রেসিপ্রোকাল সিগন্যালিং পাইনি।

প্রশ্ন: পাওয়া যায়নি, এটা এটা আপনি বলছেন। মানে কেউ কেউ বলেন যে, বাংলাদেশের তরফ থেকেও ইউনুসের সময়ের পরে তারেক রহমান আসার পরে একটা সিগন্যাল ভারতও পেয়েছে, সেটা কি ঠিক নয়?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন খলিলুর রহমান ডেফিনেটলি ভিজিট করেছিলেন, উনি এসেছিলেন, উনি কিন্তু সেই ভিজিটটাকে ট্রানজিট ভিজিট বলে ডেসক্রাইব করা হলো। এনএসএ-ও এসেছেন উনাদের সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার এনএসএ-দের মিটিংয়ে এসেছেন। কিন্তু সেভাবে একটা ভিজিটের বিষয়ে দেখুন ছয় মাস হয়ে গেছে সরকারের, আমরা ক্লোজেস্ট নেইবার, আমাদের সাথে ৪,৫০০ এরও বেশি লম্বা বাউন্ডারি, কিন্তু তবুও তো আমরা ভিজিটের বিষয়ে কিছু শুনছি না। নাই কোনো জয়েন্ট কমিশনের বিষয়ে শুনছি, নাই কোনো প্রিপারেটরি কিছু শুনছি। তো ডিপ্লোমেসিতে তো সিগন্যাল হয়, সিগন্যাল ম্যাটার্স। তো…

প্রশ্ন: আপনি মনে করছেন যে, সেই সিগন্যাল নেই?
রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: আমি তো দেখছি না কোনো, আমি কোনো সিগন্যাল দেখছি না।

সমন্তক: আমি বলছি যে, আপনি যেই কথাটা বলছেন যে সিগন্যাল নেই, কিন্তু ভারত আবার তাকে তারেক রহমানকে আহ্বান জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আগামী মাসে ভারতে দিল্লিতে ব্রিকসের সম্মেলনে। এবং এই মুহূর্তে বিমসটেকের চেয়ার হচ্ছে বাংলাদেশ, সেই জায়গা থেকেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা এর আগে দেখেছি ভারতে যখন জি-২০ হয়েছিল, সেই সময়তেও কিন্তু তখন হাসিনা ছিলেন এবং হাসিনাকে কিন্তু আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, এসেছিলেনও। বাংলাদেশের জন্য ভারতে ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দেওয়াটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে আপনার মনে হয়? দুই, এই ঘটনার পরে, এর পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমান আসবেন না আসবেন না, কি মনে হচ্ছে আপনার?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন এটা ব্রিকসের ইনভিটেশনে উনি সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে আসবেন কি আসবেন না, এটা এটা কিন্তু বাংলাদেশের ডিপ্লোমেসিকে ইনার ইন মেনি ওয়েজ ডিফাইন করবে। হোয়াই, বিকজ এই ইনভিটেশনটা অ্যাকচুয়ালি উনাকে অ্যাজ আ ব্রিকসের বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বিমসটেক একটা অর্গানাইজেশন যেটার হেডকোয়ার্টার কিন্তু ঢাকাতে, হুম। অ্যান্ড বিমসটেক আই ফিল একটু লো প্রোফাইল কারণ ইউ নো ফর ভেরিয়াস রিজনস সামিট খুব রেগুলারলি হয় না। কিন্তু বিমসটেকের রিসেন্টলি চার্টার অ্যাডপ্ট করা হয়েছে, বিমসটেক ইজ নাউ আ লিগ্যাল এনটিটি অ্যান্ড বিমসটেক অসম্ভব ভালো কাজ করেছে। কিছু জায়গায় সিকিউরিটি বলুন, লিগ্যাল ইস্যুজ বলুন, কানেক্টিভিটি বলুন, এই জিনিসগুলোতে যে ধরনের আর্কিটেকচার বিমসটেক তৈরি করছে অ্যাজ ইউ নো কম্বাইনিং দ্য ফোর্সেস অফ সাউথ এশিয়া উইথ সাউথ-ইস্ট এশিয়া খুবই ভালো কাজ হচ্ছে বিমসটিকে। তো সুতরাং এই মিটিংয়ে তারেক রহমান কিন্তু বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করছেন না, উনি বিমসটেককে রিপ্রেজেন্ট করছেন।

তো বাংলাদেশ কি নিজের বাইল্যাটারাল ইস্যুর উপরে ইউ নো ক্যান রাইজ অ্যাবাভ দ্যাট আর নিজের রোল অ্যাজ চেয়ারম্যান অফ বিমসটেক প্লে করতে পারবে কিনা, এটা ইজ আ ভেরি বিগ কোশ্চেন, হ্যাঁ। প্লাস সেকেন্ড কোশ্চেন ইজ, বাংলাদেশ নিজেই এক্সপ্রেস করেছে ডিজায়ার টু জয়েন দ্য ব্রিকস। নাও সেটার সিরিয়াসনেসও সেটাতে মেজার করা হবে না? আপনি এই এত বড় একটা অপরচুনিটি, ব্রিকসের সামিট আপনার একদম বাড়ির পাশে হচ্ছে, আপনার ইনভিটেশন আছে, এই আমার হিসেবে এই এগুলো খুব ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্টর। তো এটা খুব ডিফাইনিং মোমেন্ট হবে ফর বাংলাদেশের ডিপ্লোমেসি ইন ফিউচার যে উনারা যে কথাগুলো বলছেন জবে থেকে বিএনপি সরকার এসেছে, সেগুলো সত্যি দে বিলিভ ইন ইট অর নট, মানে ইউ নো বা ডিপ্লোম্যাটিক আমাদের বাইল্যাটারাল যে টানাপোড়েন, সেটা উইল ওভাররাইড।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের দিক থেকে কিন্তু একটা অভিযোগ রয়েছে এবং সেই অভিযোগটা হচ্ছে যে ভারতের সঙ্গে তো বাংলাদেশের বন্দী প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে, এক্সট্রাডিশন চুক্তি রয়েছে। ফলে শেখ হাসিনাকে কেন ভারত বাংলাদেশের হাতে তুলে দিচ্ছে না? এবং এইখানে এই কথাটাও চলে আসে যে শেখ হাসিনা যদি ভারত যদি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়, শুধু শেখ হাসিনা নন, তার সঙ্গে আরও যারা রয়েছেন, আরও একাধিক মন্ত্রীরা রয়েছেন, প্রচুর নেতারা রয়েছেন, তাদেরকে যদি ভারত বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়, তাহলে কি সম্পর্কটা অনেক সহজ হয়ে যায় না? ভারতের পক্ষে এটা করা কি খুব কঠিন?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন আমাদের রিলেশনশিপ ভীষণ কমপ্লেক্স, হ্যাঁ। এটাকে কোনো সিঙ্গেল ইস্যু দিয়ে ডিফাইন করা যায় না। শেখ হাসিনার ভারতে থাকা ডেফিনেটলি একটা ইম্পর্টেন্ট ফ্যাক্টর, বাট ইউ নো এক্সট্রাডিশন ট্রিটিও এত সিম্পল জিনিস না। আমাদের কেস দেখুন, আমরা কত লোকের এক্সট্রাডিশন চাইছি? ইউকে থেকে চাইছি, ললিত মোদীর এক্সট্রাডিশন ভারত সরকার চাইছে, তারপর আমি নামটা ভুলে যাচ্ছি, কিংফিশার…

সমন্তক: হ্যাঁ, বিজয় মালিয়া।
রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: হ্যাঁ, তো কত লোকের নিরব মোদী, হ্যাঁ, হচ্ছে এক্সট্রাডিশন? দেখুন এক্সট্রাডিশন হ্যাজ টু এক্সট্রাডিশন যে প্রপার প্রসিজারে এক্সট্রাডিশন হ্যাজ টু মিট দ্য টেস্ট অফ লিগ্যালিটি, হ্যাঁ। লিগ্যাল ইস্যুজের টেস্ট দেখতে হয়। তো এখানে তো তার উপরে শেখ হাসিনার উপরে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়া হয়েছে, উনার সাজাটা এত গুরুতর। তো এটা মানে এটা ভাবা আর এভাবে এই জিনিসটাকে ফ্রেম করা যে আমি এক্সট্রাডিশনের জন্য চিঠি দিলাম, হ্যাঁ ঠিক আছে প্যাক করলাম, পাঠিয়ে দিলাম, ইটস নট লাইক দ্যাট। এটা একেবারেই একটা সিম্পল প্রসেস না, এটা অসম্ভব কমপ্লেক্স একটা প্রসেস। এটার মধ্যে যেই দেশ তার দেশে যে আছে যাকে এক্সট্রাডাইট করছে তাকে নিজেকেও স্যাটিসফায়েড হতে হবে যে এটা পুরোপুরি ইট মিটস দ্য ল অফ দ্য ল্যান্ড, হ্যাঁ অ্যান্ড এক্সট্রাডিশন ট্রিটির সমস্ত ওই। তো সেজন্য আই থিঙ্ক এটা এটাকে সিম্পলিস্টিক্যালি নেওয়ার কোনো কোনো জায়গাই নেই।

আর ভারত-বাংলাদেশ রিলেশনশিপ ভীষণ কমপ্লেক্স রিলেশনশিপ, কিন্তু তা বলে এই না যে এটাতে আগে ইউ নো পলিটিক্যাল উইল থাকলে, ট্রাস্ট থাকলে আমরা কত কিছু করেছি বলুন। এই দুটো দেশের মধ্যে আমরা একটা অত কমপ্লেক্স বর্ডার ডিমার্কেট করেছি, আমরা ম্যারিটাইম বর্ডার ডিমার্কেট করেছি যেখানে ইন্ডিয়া নিজের রাইট ইন্ডিয়া নিজের ক্লেইম গিভ আপ করেছে টু ইন ফেভার অফ আ নেইবারিং কান্ট্রি, সেটা সবাই ভুলে যায়। তো ইউ নো আমরা এরকম ধরনের কমপ্লেক্স কমপ্লেক্স প্রবলেম আগে সলভ করেছি অ্যান্ড আই অ্যাম শিওর গিভেন ইউ নো পলিটিক্যাল উইল অন বোথ সাইডস অ্যান্ড ট্রাস্ট এটা করা যাবে, বাট এই দুটো জিনিসকে বিল্ড করতে হবে।

প্রশ্ন: আমি একদম শেষের দিকে চলে এসেছি। আপনার কি মনে হয় যে, এই যে হাসিনা বলছেন, শেখ হাসিনা বলেছেন যে তিনি ডিসেম্বর মাসে দেশে ফিরে যাবেন। এখন যদি তিনি সত্যি সত্যি দেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাকে তো ভারত ছেড়ে যেতে হবে, তাকে ভারতের ইমিগ্রেশন ক্রস করে যেতে হবে। এইটা কতটা সম্ভব? ভারত কি শেখ হাসিনা যদি আজকে যে রকম আমি কালকে চলে যাব ফেরত, ভারতের ইমিগ্রেশন ক্রস করতে দেবে ভারত? এটার মধ্যেই কি কোনো কূটনৈতিক জায়গা নেই?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন এটা আগেইন ভীষণই কমপ্লেক্স একটা ইস্যু, কারণ এখানে দেখুন ভারত ভারতের তরফ থেকে আমি সরকারে নেই সেজন্য আমি আই কান্ট স্পিক ফর দ্য গভর্মেন্ট, একটা বড় ইস্যু হবে উনার সিকিউরিটি। উনার সিকিউরিটিটা একটা বিশাল ইস্যু হবে। কিন্তু অন অ্যাট দ্য এন্ড অফ ইট, উনি বাংলাদেশের নাগরিক। উনি বাংলাদেশে উনি একটা দেশের নাগরিক যদি সেই দেশে ফেরত যেতে চায়, মানে আমরা তাকে কি করে স্টপ করব? উনি তো আর আমাদের দেশে কোনো কোনো ল ইনফ্রিঞ্জ করেননি, উনি নাই আমাদের দেশে কনভিক্ট, না কোনো গ্রাউন্ডস হতে হবে তো একটা লিগ্যাল গ্রাউন্ড। তো সুতরাং এই কমপ্লেক্স ইস্যুটাকে সলভ তো করতেই হবে আর ইটস আ ভেরি ডেলিকেট ইস্যু অ্যান্ড আই থিঙ্ক এটার মধ্যে সবচেয়ে বড় ইস্যু যেটা অ্যারাইজ করবে সেটা হবে উনার পার্সোনাল সিকিউরিটি যে উনি কতটা সিকিউর, উনি কিভাবে যাবেন, কিভাবে ঢুকবেন, মানে ইটস নট ইজি না।

বাংলাদেশে তো আমরা জানি ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন একটু খারাপ, মানে আর জবে থেকে উনি অ্যানাউন্সমেন্টটা দিয়েছেন যে আমি ফেরত যাব, তবে থেকে আপনি দেখছেন বাংলাদেশে কি ধরনের মানে অলমোস্ট মনে হচ্ছে উনারা অলমোস্ট বলতে চাইছেন যে না না আপনাকে আসতে হবে না, আমরা সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করতে পারব না। আই মিন শর্ট অফ সেইং দ্যাট আমরা অলমোস্ট এই মেসেজটা পাচ্ছি যে বুঝতেই পারছে না যে হ্যান্ডেল কি করে করবে। কারণ ইন্টারন্যাশনালি তো এই জিনিসটার একটা ইম্প্যাক্ট পড়ে না।

প্রশ্ন: হ্যাঁ, কিন্তু এর আগেও আমরা দেখেছি বাংলাদেশে এই ঘটনা ঘটেছে, শেখ হাসিনা ফেরত গেছেন, তারেক রহমান ফেরত এসেছেন। সুতরাং ফলে এই ঘটনা বাংলাদেশে এর আগে ঘটেনি এমনটা নয়। কিন্তু আমার প্রশ্নটা ছিল যে ভারত এটাকে কিরম ভাবে দেখবে? তার কারণ বাংলাদেশের অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের কূটনীতিকদের অনেকে বলছেন যে ভারত এন্ডোর্স করছে হাসিনাকে, ভারত এন্ডোর্স করছে আওয়ামী লীগকে। এইটা কি আপনার মনে হয় যে এটা সত্যি?

গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন, ভারতকে তো বাংলাদেশে সবসময় একিউজ করা হয় যে আমরা আওয়ামী লীগকে এন্ডোর্স করি, আওয়ামী লীগকে সরকারে বসিয়েছি আর ইন্টারনাল পলিটিক্সে আমরা ইন্টারফেয়ার করি। আই থিঙ্ক ইউ নো ইন দিস ডে অ্যান্ড এজ যে ধরনের জিওপলিটিক্স চলছে, যেভাবে আমাদের সব দেশে হ্যাঁ, ইয়ং পপুলেশন ডমিনেন্ট পপুলেশন যাকে জেন জি, জেন আলফা এসব বলা হয়, তারা সবাই ইউ নো এভরিবডি ইজ অন আ সেলফোন অন এভরিবডি হ্যাজ আ স্মার্টফোন।

প্রশ্ন: অ্যান্ড এভরিবডি ইজ ইন দ্য পার্ক।
রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: হ্যাঁ, তো এই অবস্থায় না আই থিঙ্ক টাইম হ্যাজ কাম হোয়ার বাংলাদেশ নিডস টু রিয়েলি ইন্ট্রোস্পেক্ট যে ওদের পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউশনগুলো এত উইক কেন রয়ে গেছে, হ্যাঁ? কারণ আমার ভীষণ মনে হয়, আমি এটা খুবই এখন আর ইদানিং আমার খুবই বেশি মনে হয় যে ইউ নো এটা খুব ইজি ইন্ডিয়াকে ব্লেম করা। সবকিছুর জন্যই ইন্ডিয়ার দিকে তাকিয়ে আমি ব্লেম করে দিলাম যে এটা ভারতের জন্য হয়েছে। আপনাদের এবার নিজেদের মধ্যে দেখে নিজেদের এই যে রিভেঞ্জ আর রেট্রিবিউশনের পলিটিক্স, এটাকে কোনো না কোনো দিন শেষ করতে হবে। তা না হলে কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষে আগে বেরিয়ে যাওয়া কিন্তু ভীষণ মুশকিল। এত যুদ্ধ এত মানে ইউ নো ভায়োলেন্স হয়ে এতগুলো যারা জুলাইতে যা হলো তারপরে বলা হলো নতুন বাংলাদেশ, নতুন কি নতুন? দেয়ার ইজ নাথিং নিউ। বিএনপি ঠিক তাই করছে যেটা ওরা আওয়ামী লীগকে আগে একিউজ করেছে। জার্নালিস্টদের জেলে দেওয়া, আওয়ামী লীগ নিজেকে এত বড় একটা পলিটিক্যাল পার্টিকে ব্যান করে রাখা, ইজ দিস পলিটিক্যালি ফিজিবল? মানে এটা কি সত্যি কোনো দেশ ভাবে যে এটা করা যায়?

প্রশ্ন: কিন্তু সেটা বাংলাদেশের ইন্টারনাল বিষয় এবং আমার মনে হয় যে আপনি যেটা বলছিলেন যে, মানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যেই অভিযোগগুলো উঠেছিল, সেই অভিযোগগুলো খুব সাংঘাতিক অভিযোগ। জুলাইতে যেভাবে গুলি চালানো হয়েছে, যেরকমভাবে হত্যা করা হয়েছে, আগের দিনও যখন শেখ হাসিনা এই বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন, তখনও কিন্তু তিনি বলেছেন যে তিনি লজ্জিত নন পুরো বিষয়টা নিয়ে এবং তিনি বলেছেন যে ল অ্যান্ড অর্ডার রক্ষা করার জন্য যা করা উচিত ছিল আমি সেটাই করেছি। সুতরাং এই বিষয়টা তাদের সেখানে চলছেই। কিন্তু এই আমার শেষ একেবারে শেষ প্রশ্ন যে আলটিমেটলি এই পুরো বিষয়টা, আপনি বাংলাদেশ থেকে ফেরার পরে সেক্রেটারি ইস্ট ছিলেন এবং ভারতের ইস্ট নিয়ে বহু কাজ হচ্ছে, এখনো প্রচুর কাজ চলছে। সাউথ এশিয়াতে ভারত-বাংলাদেশের এই বর্তমান সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত মানে জিওপলিটিক্সের জায়গা থেকে এটা কতটা ভোলাটাইল হয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে?

রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: দেখুন আই থিঙ্ক এখন যে সিচুয়েশনটা এখানে আই উড ডেসক্রাইব ইট অ্যাজ ল্যাক অফ ট্রাস্ট, হুম। এই ট্রাস্টটা বিল্ড করতে হবে। বলা হয় যে ইউ নো পিপল টু পিপল লেভেলে করা উচিত, সেটা খুবই এভিডেন্ট ছিল, যে দিন আমাদের ভিসা ডিক্লেয়ার হয়েছে, তার পরের দিন দেড় লাখ লোক অ্যাপ্লাই করে দিয়েছে। কোনো দেশের ভিসা যদি খোলা হয়, ফ্রিতেও দেওয়া হয় বাংলাদেশে, আমেরিকান ভিসা যদি বলে না যে কালকে আমি তোমাকে ফ্রিতে দেব, দেড় লাখ লোক দাঁড়াবে না লাইনে। কারণ ইট ইজ এফোর্ডেবল টু গো টু ইন্ডিয়া, লোকেদের একদম ডে টু ডে নিডস-এর জন্য লোকেরা ভারতবর্ষে আসে। সেজন্য আই থিঙ্ক এটা বলা যে ভারত অ্যান্টি-ইন্ডিয়া সেন্টিমেন্ট বাংলাদেশে, লোকে অমুক তমুক, এগুলো সব মানে এই দ্য নাম্বার অফ ভিসাজ পিপল অ্যাপ্লাই ফর, সেটা এটাকে কনভিন্সিংলি ডিসপ্রুভ করেছে।

আমার মনে হয় ইউ নো আমরা আগেও অনেকবার আমাদের রিলেশনশিপে আপস অ্যান্ড ডাউনস গেছে। দুটো নেইবার কাছাকাছি থাকে, পাশাপাশি আমরা থাকি। আমাদের মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে ইন দ্য পাস্ট, বাট আমরা এগুলোকে ওভারকাম করে খুবই ভালো রিলেশনশিপ আমাদের বিল্ড করতে পেরেছি। এখনো দেখুন, ইভেন উইথ দিস মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং অর হোয়াটেভার, ৫০-এর উপরে আমাদের মেকানিজম আছে, বাইল্যাটারাল মেকানিজমস, ঠিক আছে? যেগুলো হয়ে গেছে, যেগুলো ভালো অ্যাচিভমেন্ট, সেগুলো কে দেখা হয় না।

বাংলাদেশের ট্রেড, হ্যাঁ? আমরা বাংলাদেশ চার বছরে নিজের ট্রেড ডাবল করেছে ফ্রম ১ বিলিয়ন টু ২ বিলিয়ন, হ্যাঁ? আজও যদি ট্রেডের ট্রেডে আমরা কথাবার্তা বলে ইউ নো যেই যেই রেস্ট্রিকশনগুলো করা হয়েছে, দ্য পটেনশিয়াল ইজ অ্যাকচুয়ালি ইন ইন্ডিয়া, বাংলাদেশকে বোথ নিজের এক্সপোর্ট বাস্কেট ডাইভার্সি করা ডাইভার্সি ডাইভার্সিফাই করার যে ওদের একটা চ্যালেঞ্জ আছে, প্লাস এক্সপোর্টস ইনক্রিজ করা। মানে এই দুটোই ইন্ডিয়ার দ্বারা হবে, হ্যাঁ? ইন্ডিয়ার সাথে প্রক্সিমিটিতে হবে।

প্রশ্ন: চায়না নয়?
রিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাস: হাউ? কারণ আপনার তো কস্ট ভীষণ বেশি হবে না? কস্ট অনেক বেশি হবে। এখানে পটেনশিয়াল অনেক বেশি। আনারস আপনি কি আনারস চায়নায় পাঠাবেন? কাঁঠাল চায়নায় পাঠাবেন? না, কনসাম্পশনস আর সেম, উই ইট দ্য সেম কাইন্ড অফ ফুড। তো পটেনশিয়াল অনেক বেশি আমাদের কেসে। চায়না তো দিয়েছে, চায়নাতো এখনো ১ বিলিয়নও বোধহয় ট্রেড না ওরা এক্সপোর্ট না। তো অনেক কম। তো সুতরাং এখনো দেখুন এত টেনশনের মধ্যে ওরা আমাদের থেকে এনার্জি চাইছে, হ্যাঁ? ইলেকট্রিসিটি ইজ ফ্লোয়িং অ্যাজ ইট ইজ। জ্বালানি চেয়েছে।

তো আই থিঙ্ক বাংলাদেশ এখন ইউ নো নতুন প্রাইম মিনিস্টার, নতুন রেজিম। তারেক রহমান কোনোদিন এর আগে যখন খালেদা জিয়া এসেছিলেন, উনি উনার আগে প্রিভিয়াস এক্সপেরিয়েন্স ছিল। তো এখন উনি ইন দ্যাট ওয়ে খুবই নতুন অ্যান্ড ইউ নো উনি ১৫ বছর, ১৫ না ১৭ বছর বোধহয় দেশের বাইরে ছিলেন। উনি পার্টিটাকে রিমোটলিই চালিয়েছেন মোটামুটি। তো উনার অনেক ডোমেস্টিক চ্যালেঞ্জেসও আছে। আর আমাদের গভর্মেন্ট হ্যাজ অলওয়েজ, আই মিন আই থিঙ্ক আমরা মোর দেন সিগন্যাল্ড, আমরা মোর দেন পজিটিভ সিগন্যাল দিয়েছি যে আমরা রিলেশনশিপে এগোতে চাই। আমাদের অনেক কিছু করার আছে একসাথে, অনেক কিছু আমরা করতে পারি একসাথে। সো আই থিঙ্ক উই হ্যাভ টু পুট আ ফিউ থিংস বিহাইন্ড আস অ্যান্ড মুভ ফরোয়ার্ড।

সমন্তক: (উপস্থাপক) থ্যাংক ইউ সো মাচ। ব্রিকসে কি তারেক রহমান আসবেন? ব্রিকসে যদি তারেক রহমান আসেন, সেটাই হবে, আসবেন না সেটাই হবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আগামী দিনের যেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তার একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, এমনটাই মনে করছেন রিভা গাঙ্গুলী দাস।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: বাংলাদেশ-ভারতরিভা গঙ্গোপাধ্যায় দাসশেখ হাসিনার দেশে ফেরা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

নাইটক্লাবে হাতাহাতি, ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ খেলা এই ফরোয়ার্ডের কী শাস্তি হতে পারে

আগস্ট ৮, ২০২৬

সালমানের বাড়ির নিরাপত্তায় থাকা কনস্টেবলের আকস্মিক মৃত্যু

আগস্ট ৮, ২০২৬

বর্ষায় ত্বকের যত্ন: সুস্থ ও সজীব রাখার সহজ উপায়

আগস্ট ৮, ২০২৬

একা থাকার অভ্যাস কেন জরুরি? নিজের জন্য সময় রাখার ৭ উপকার

আগস্ট ৮, ২০২৬

বিদেশে চাকরির টোপ, পর্তুগালে গিয়ে ‘বিক্রি’ ভারতীয় তরুণী

আগস্ট ৮, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT