এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ব্যবসায়ী মহল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি (জেনারেলাইজড স্কিম অফ প্রিফারেন্সেস) পুনঃবহালের দাবি করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদও এ বিষয়ে কথা বলেছেন। জানিয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্ত মানলে আবারও মিলবে জিএসপি সুবিধা।
জিএসপি কী
জিএসপির আওতায় উন্নত দেশে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো পেয়ে থাকে এ বিশেষ সুযোগ। তৈরি পোশাকশিল্প বাদ থাকলেও অন্য পণ্যের ক্ষেত্রে মার্কিন বাজারে এ সুবিধা পেয়ে আসছিল বাংলাদেশ।
কিন্তু তাজরীন ফ্যাশনসে আগুন এবং রানা প্লাজা ধসের পর কলকারখানায় কাজের পরিবেশ উন্নত না হওয়াসহ নানা কারণে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র। তারপর অনেকবার আলোচনায় আসলেও জিএসপি সুবিধা আর পুনঃবহাল হয়নি। এরপর নিরাপদ কর্মপরিবেশের সঙ্গে শ্রম আইনেও এসেছে পরিবর্তন। তারপরও নানা শর্তের বেড়াজালে মেলেনি স্থগিত করা সে বাণিজ্য সুবিধা।
এখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় তার ইমেজ কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপির সুবিধা ফিরে পেতে চান ব্যবসায়ীরা।
জিএসপি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন: এটা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি। ড. ইউনূসের ব্র্যান্ড ইমেজ কাজে লাগিয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা পেতে চাই।
এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্ত পূরণ হলে জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়া যাবে এমন আশ্বাস পেয়েছেন। তবে শ্রমিক অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পর্যবেক্ষণ ছিল, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।








