গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, বিএনপি যেভাবে চায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের ব্যবস্থা করা হবে। নতুন মন্ত্রীদের জন্য ৩৭টি বাসা তৈরি আছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসাবে প্রস্তুত করছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তবে প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া তারেক রহমান মায়ের স্মৃতি বিজড়িত গুলশানে নাকি হেয়ার রোডের যমুনায় থাকবেন, তা নির্ভর করবে তার সিদ্ধান্তের ওপর।
গণপূর্তের নকশা অনুযায়ী গণভবনের পাশে নতুন বাসভবন নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেও শেষ হতে সময় লাগবে কয়েক বছর। অন্যদিকে, মিন্টো রোডে অবস্থিত বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন এবং মন্ত্রীদের বাসভবনও প্রস্তুত করেছে সরকার।
তবে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার জন্য ২৯ নম্বর বাড়ি এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোড ও বেইলি রোডে ১৫টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া বেইলি রোডে তিনটি মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ৩০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থাকার জন্য সুবিশাল ফ্ল্যাট বাসার ব্যবস্থাও আছে।
অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, মায়ের স্মৃতি ধরে রাখতে তারেক রহমান ফিরোজায় থাকতে পারেন। আবার কেউ বলছেন গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটিতেও থাকতে পারেন তিনি। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর পরিবার নিয়ে সেখানেই বাস করছেন তারেক রহমান। সেখানে থেকেই কিছু দিন তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ করবেন। ইতিমধ্যে ঐ বাড়িসহ পুরো এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।







