আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়ানডেতে বিরাট কোহলির ব্যাট ছিল অচেনা। দুই ম্যাচে ডাকের পর শেষ ম্যাচে অপরাজিত ৭৪। ঘরের মাটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাটে প্রথম ম্যাচেই দেখা গেছে চিরচেনা কোহলিকে। ১৭ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৩০৬তম ওয়ানডেতে ৫২তম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে জানান দিয়েছেন পুরনো মন্ত্রের।
রাঁচিতে প্রথম ইনিংসে ৩৮তম ওভারের শেষ বলে সেঞ্চুরির দেখা পান কোহলি। ওয়ানডে সংস্করণে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড আরও এগিয়ে নিয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ৫১তম সেঞ্চুরিটি ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে। এদিন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৪৯ রানের দলীয় সংগ্রহে বিরাটের একারই অবদান ১৩৫। ৩৫০ রানের লক্ষ্যে নেমে প্রোটিয়ারা থামে ৩৩২ রানে। ১৭ রানের জয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে ভারত।
৪৪তম ম্যাচসেরার তকমা জিতে কোহলি বলেছেন, ‘আগেই বলেছি কোথায় পৌঁছাতে চাইলে ১২০% এর সাথে পৌঁছাই। অনেক প্রস্তুতির সাথেই এমন কন্ডিশনে মাঠে নেমেছিলাম। ম্যাচের আগে একদিনের ডে-অফও কাটিয়েছি। ম্যাচ সম্পর্কে যখনই ভেবেছি, শান্ত থেকে ক্ষীপ্রভাবে রাঁচির মাঠে নেমেছি।’
কোহলি ওয়ানডে সংস্করণে নিজের অবস্থান নিয়ে বলেছেন, ‘১৫-১৬ বছরের মধ্যে ৩০০এর বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নেটে দীর্ঘক্ষণ ব্যাট করার কিছু সুবিধাও নেয়া যায় মাঠে লম্বা ইনিংস খেলতে। মনে করি ক্যারিয়ারের এমন সময়ে এরকম ইনিংস উপহার দেয়া মানসিক ও শারীরিকভাবে আমাকে সামনের ম্যাচগুলোতে ভালো ব্যাটিংয়ে উৎসাহ দেবে।’
‘যদিও আমি খুব রফাদফা করে প্রস্তুতির সমর্থন করি না। আমার ক্রিকেটটা অধিকতর মানসিক খেলা। যখনই মনে করি মানসিকভাবে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত তখনই মনে হয় শারীরিকভাবে আরও শ্রম দেই ক্রিকেটের জন্য। রোজকার জীবনে এভাবেই ক্রিকেটের জন্য শ্রম দেই।’
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৮৩তম শতকের দেখা পেয়েছেন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে। ১২০ বলে খেলা দলের সর্বোচ্চ ১৩৫ রানের ইনিংসে কোহলি ১১টি চার এবং ৭টি ছক্কার মেরেছেন।
কোহলি ভারতের হয়ে এখন শুধু এই সংস্করণে খেলছেন। সবশেষ টেস্ট খেলেছেন সিডনিতে এবছরের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, তারপর অবসর বলেছেন। যেখানে ছোট সংস্করণের ক্রিকেট ছেড়েছেন বিশ্বকাপ জিতে।








