শেষ হল বিপিএল দ্বাদশ আসর। ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টুর্নামেন্টজুড়ে ঝলক দেখিয়েছে ব্যাটার-বোলাররা। আসরে সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন সিলেট টাইটানসের পারভেজ হোসেন ইমন। উইকেট শিকারে শীর্ষে চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল ইসলাম।
আসরের প্রথমদিনেই নিজেকে জানান দেন ইমন। রাজশাহীর বিপক্ষে উদ্বোধনী দিনের ম্যাচে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় করেছিলেন ৩৩ বলে ৬৫ রান। তিন ফিফটির সাহায্যে ১২ ম্যাচে করেছেন ৩৯৫ রান। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ১১ ম্যাচ ৩৮২ রান করা রংপুর রাইডার্সের তৌহিদ হৃদয়।
ফাইনালে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান ১৩ ম্যাচে ৩৫৬ করে আছেন তৃতীয় স্থানে। চ্যাম্পিয়ন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩ ম্যাচে ৩৫৫ করে চতুর্থ স্থানে। তালিকায় দুই, তিন এবং চারে থাকা ব্যাটারদের আছে একটি করে সেঞ্চুরি। সেরা পাঁচ জনের তালিকায় একমাত্র বিদেশি খেলোয়াড় ইংল্যান্ডের ডেভিড মালান। পাঁচে থাকা মালান ৯ ম্যাচে করেছেন ৩০০ রান।
এদিকে শরিফুলের বোলিং তোপে বেশ ভুগেছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা। শুধু এই আসরেই নয়, বিপিএলের ইতিহাসেই কোন আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হলেন তিনি। গেল আসরে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে ২৫ উইকেট নেয়া তাসকিন আহমেদকে পেছনে ফেলেছেন। চট্টগ্রামের হয়ে ১২ ম্যাচ খেলে তুলে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিরুদ্ধে ছিল তার সেরা বোলিন ফিগার। নতুন দলটির বিপক্ষে ৩.৫ ওভারে ১টি মেডেনে মাত্র ৯ রান দিয়ে তুলে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট।
তালিকায় দুইয়ে আছেন সিলেটের হয়ে ১২ ম্যাচ খেলে ১৮টি উইকেট নেয়া স্পিনার নাসুম আহমেদ। রাজশাহীর বিনুরা ফের্নান্দো ১১ ম্যাচ খেলে ১৮ উইকেট নিয়ে আছেন তৃতীয় স্থানে।
চতুর্থ স্থানে আছেন রিপন মণ্ডল। ৮ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে হয়েছেন আসরের ইমার্জিং প্লেয়ার। পাঁচে আছেন নোয়াখালীর হাসান মাহমুদ, ১০ ম্যাচে নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
আসরে মোট ১০টি ক্যাচ ধরে সেরা ফিল্ডার হয়েছেন রংপুরের উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাস।







