ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সাগর এখনো উত্তাল রয়েছে। রোববার (২৬ মে) রাতের জোয়ারে কক্সবাজারের ১৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রাতে যারা কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছিল তারা সকালে নিজ বাড়ি ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।
রোববার রাত ১২ টার পর থেকে সকাল সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত কক্সবাজারের উপর দিয়ে দমকা ও টানা ঝড়ো হওয়া বয়ে গেছে। মহেশখালীতে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। লোকালয়ে প্রবেশ করেছে লবণ পানি। সাগরের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন চার ফুট বৃদ্ধি পেয়ে আজও কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কিছু এলাকায় গাছপালা উপরে পড়েছে। কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানান, ২৪ ঘন্টায় ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর পাওয়া যায়নি।







