যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশের ফলে, অভিবাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘গ্রিন কার্ড’ বা স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার আবেদন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশসহ নিরাপত্তা ঝুঁকির আওতাভুক্ত দেশ থেকে আগত অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বেশি প্রভাবিত হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীনস্থ ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস (ইউএসসিআইসি) জানিয়েছে, তারা অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু আবেদন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করছে।
বিশেষত যারা আশ্রয়প্রার্থী বা শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন এবং এক বছর পর স্থায়ী বাসিন্দার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের আবেদনগুলিতে অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নতুন ভেটিং প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই কঠোর নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগত শরণার্থীদের জন্য আরেকটি দফা জটিলতা তৈরি করবে।
এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের হাজারো পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে, যারা তাদের আত্মীয়স্বজনদের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। অভিবাসন আইনজীবীরা বলছেন, এই ধরণের বাধা যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন সিস্টেমে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করতে পারে এবং ইউএসসিআইসি-এর আয়তেও প্রভাব ফেলতে পারে, যেহেতু এটি একটি ফি-ভিত্তিক সংস্থা।
২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপত্তা যাচাইয়ের খরচ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। নতুন সিদ্ধান্তে সেই ব্যয় আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য পরামর্শ যেকোনো ধরনের ফর্ম পূরণে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন, বিশেষত পূর্বের প্রশাসনের সময়ে ছোট ভুলের জন্যও আবেদন ফেরত দেওয়ার নজির রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের কারণে অভিবাসন ব্যবস্থায় নতুন করে জটিলতা দেখা দিতে পারে, যার প্রভাব সরাসরি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলির অভিবাসীদের উপর পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আপনি চাইলে এই বিষয়ে বাংলায় আরও বিশ্লেষণ বা ব্যক্তিগত পরামর্শ পেতে পারেন।








