যুক্তরাষ্ট্র তাদের সমস্ত বিদ্যমান এবং নতুন বিদেশী সাহায্য সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকলিপিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে যা সম্প্রতি প্রকাশ পায়।
আজ ২৫ জানুয়ারি শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, এই স্থগিতাদেশটি উন্নয়ন সহায়তা থেকে শুরু করে সামরিক সাহায্য পর্যন্ত ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তবে, জরুরি খাদ্য সহায়তা এবং ইসরায়েল ও মিশরের সামরিক সাহায্যের ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।
স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ‘স্টপ-ওয়ার্ক’ আদেশ জারি করতে হবে এবং কোনো নতুন সাহায্য তহবিল দেওয়া হবে না যতক্ষণ না তা পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা না হয়। এতে একটি বিস্তৃত পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শুরু হবে, যার লক্ষ্য হলো সকল সাহায্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতি লক্ষ্য অনুযায়ী সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা নিশ্চিত করা।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এই সিদ্ধান্তটি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য কর্মসূচি যেমন মানবিক কার্যক্রম, পানির সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং আশ্রয় প্রকল্পগুলোর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। সাবেক কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, ইতিমধ্যেই চলমান সহায়তা প্রকল্পগুলো বন্ধ হতে পারে।
এছাড়া, ইউক্রেনের মতো দেশ, যারা বর্তমানে মার্কিন সামরিক সাহায্য পাচ্ছে, তারা এই স্থগিতাদেশের প্রভাব থেকে বাদ পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে, গাজার পরিস্থিতি এবং সুদানের মতো দেশে চলমান মানবিক সংকটের মধ্যে জরুরি খাদ্য সহায়তার জন্য একটি ওয়েভার দেওয়া হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সাহায্য দাতা হিসেবে ৬৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করেছে।








