টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসেছে উগান্ডা। টুর্নামেন্টে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে পড়ে ভুলে যাওয়ার মতো এক রেকর্ড সঙ্গী করেছে আফ্রিকার দেশটি। ৩৯ রানে অলআউট হয়েছে, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা সর্বনিম্ন রানে অলআউটের রেকর্ডে যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করেছে। রেকর্ড গড়ে হারলেও ‘অনুভূতি’ ভালো অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবার। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে উন্নতি করতে চায় উগান্ডা।
ম্যাচ শেষে ৩২ বর্ষী মাসাবা বলেছেন, ‘দিনটি আমাদের জন্য কঠিন ছিল। বিপরীতে শেখার জন্য দারুণ একটি ব্যাপার। তারা নিজেদের জাত চিনিয়েছে, যা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিন বিভাগেই বাজে খেলেছি। এখান থেকে অবশ্যই শিক্ষা নিতে হবে। ব্যাটাররা মাঠে টিকে থাকবে বা কীভাবে আরও ভালো করবে এ নিয়ে অনেক কাজ করার আছে।’
‘তবে বোলারদের পারফরম্যান্সে কিছু ইতিবাচক দিক ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলকে ২০০ রানের নিচে আটকাতে পেরেছে আমাদের তরুণ বোলাররা, বিশেষ করে কসমাস কিয়েউতা ও জুম্মা মিয়াজির কথা আলাদা করে বলতে হবে। তারা ডেথ ওভারে অসাধারণ বোলিং করেছে। আশা করি এই বিশ্বকাপ থেকে অনেককিছুই শিখতে পারব।’
‘বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে খেলা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ, তবে আমরা সেটি উপভোগ করছি। কারণ দলের উন্নতি করতে চাইলে এ ধরনের প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আশা করি ব্যবধান কমাতে পারব। বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আগে দারুণ একটি শিক্ষা।’
‘সমর্থকরা আমাদের এই দলটি খুব ভালোবাসে। তারা আমাদের সর্বাগ্রে জড়িয়ে আছে। আমাদের উত্সাহের একটি বড় অংশই তারা। তাদের নিয়ে খুব গর্বিত। এটা পরিষ্কার যে, তাদের কাছাকাছি থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে রোববার ভোরে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে রোভম্যান পাওয়েলের উইন্ডিজ। নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানের সংগ্রহ গড়ে স্বাগতিক দেশটি। জবাবে আকিল হোসেনের তোপে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৪৮ বল বাকি থাকতে কেবল ৩৯ রানে গুটিয়ে যায় উগান্ডা।
তাতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে অলআউটের রেকর্ডের পাশে নাম লিখিয়েছে উগান্ডা। আগে একই সর্বনিম্ন ৩৯ রানে গুটিয়ে যাওয়ার রেকর্ড কেবল ছিল নেদারল্যান্ডসের। তারা উগান্ডার চেয়ে আরও ৯ বল কম খেলেছিল। ২০১৪ আসরে ডাচদের ১০.৩ ওভারে ৩৯ রানে অলআউট করেছিল শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডেও নেদারল্যান্ডস-শ্রীলঙ্কার নাম। ২০২১ বিশ্বকাপে লঙ্কানদের কাছে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল ডাচবাহিনী।







