যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছেন দুইজন নারী। তারা হলেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনির কন্যা ক্লিও কারনি ও বেলজিয়ামের রাজকুমারী এলিজাবেথ।
আজ ২৪ মে শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত এক নীতিগত বিরোধ এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। একজম মার্কিন বিচারক এরই মধ্যে হার্ভার্ডের পক্ষে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দেয়।
হার্ভার্ডে কানাডীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ক্লিও কারনি, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনির কন্যা। তিনি হার্ভার্ডে তার প্রথম বর্ষ শেষ করেছেন এবং রিসোর্স ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের ছাত্রী। এদিকে, বেলজিয়ামের রাজকুমারী এলিজাবেথ, যিনি দেশটির ভবিষ্যৎ রানি হিসেবে পরিচিত, হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স করছেন।
রাজকুমারী বর্তমানে বেলজিয়ামে অবস্থান করছেন। তিনি দ্বিতীয় বর্ষে ফিরে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বেলজিয়াম রাজপ্রাসাদের মুখপাত্র জাভিয়ার বার্ট জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজকুমারীর ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা জানার জন্য আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে, কারণ ট্রাম্প প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেন আর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে না পারে। হার্ভার্ড দাবি করেছে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন করে এবং এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থীর ওপর তাৎক্ষণিক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়বে।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, তারা দ্রুত শিক্ষার্থী ও কমিউনিটির সদস্যদের জন্য সহায়তা ও নির্দেশনা প্রদানের কাজ করছে।








