এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার বহুল আলোচিত মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটির যুক্তিতর্ক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানি শেষে আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গেছে।
এর আগে বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থনে আদালতে বক্তব্য দেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। এসময় তিনি নিজের দায় স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে নির্দোষ দাবি করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, নিহত রামিসা রাজধানীর পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশুটিকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।একপর্যায়ে আসামিদের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার একটি স্যান্ডেল দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তার স্বজনরা। সেখানে সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমে একটি বালতির ভেতরে মাথা পাওয়া যায়। ঘটনার খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
এই ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর ২০ মে আদালতে দেওয়া জবানবন্দীতে সোহেল রানা অপরাধের কথা স্বীকার করে এবং ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে উল্লেখ করে।








