সিরিয়ার বিভাজন তুরস্ক মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান। তিনি সিরিয়ার দ্রুজ জনগোষ্ঠীকে আগ্রাসনের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করারও অভিযোগ করেছেন। তিনি শপথ করে বলেন, তুর্কি কখনোই সিরিয়ার বিভাজনে সম্মতি জানাবে না।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছে।
তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, আমরা গতকাল সিরিয়ার খণ্ডিতকরণে সম্মতি জানাইনি এবং আজ বা আগামীকাল অবশ্যই এতে সম্মতি জানাব না
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, গত দুই দিন ধরে ইসরায়েল তার দস্যুবাহিনীকে প্রতিবেশী সিরিয়ায় স্থানান্তরিত করার জন্য দ্রুজকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করে, তারা শিগগিরই বা পরে বুঝতে পারবে যে তারা একটি বড় ভুল করেছে।
ইসরায়েল একটি আইনহীন, নিয়ম ভঙ্গকারী, নীতিহীন, অহংকারী, লুণ্ঠিত এবং রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, একটি স্থিতিশীল সিরিয়া সমস্ত প্রতিবেশী দেশের জন্য স্থিতিশীলতা তৈরি করবে; অন্যথায় সবাই এর বোঝা বহন করবে।
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেন, যারা নিপীড়ন ও গণহত্যার মধ্য দিয়ে নিরাপদ ভবিষ্যৎ খুঁজছেন, তাদের কখনই এটা ভুলে যাওয়া উচিত নয়; তারা কেবল পথচারী, আমরাই সরাইখানার মালিক। আমরাই প্রকৃত অর্থে এই ভূমির মালিক। আমরা সিরিয়ার সমস্ত উন্নয়ন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি, আমাদের প্রতিপক্ষের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখছি এবং তা অব্যাহত রাখব।
এরদোয়ানের মতে, তুরস্কের মৌলিক নীতি হল সিরিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতা, জাতীয় ঐক্য, একক কাঠামো এবং বহুসাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করা। আমাদের সম্মানজনক পররাষ্ট্রনীতি, শান্তি প্রচেষ্টা এবং কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তুরস্ক শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে।
এরদোয়ান আরও বলেন, আমরা কারো প্রতি কোনো বিদ্বেষ পোষণ করি না, হিংসা বা শত্রুতা করি না। আমরা কারো অধিকার, আইন বা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করি না; আমরা কেবল শান্তি চাই।








