এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার কার্যক্রম আগামীকাল সোমবার (১ জুন) শুরু হবে। এ মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, আমি বলেছিলাম সরকারের হাতে যতটুকু সময় ও ক্ষমতা আছে, সেই ক্ষমতা সরকার প্রয়োগ করেছে। আমি বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট হবে। আমরা এক সপ্তাহের মধ্যেই সঠিকভাবে চার্জশিট প্রদান করেছি। বাকিটা আদালতের কাজ। আদালতকে আমরা সহযোগিতা করব। আদালত চার্জশিট পাওয়ার পরই আগামীকাল কোর্ট খুলবে। সেখানে প্রথম দিনেই মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালতের কাছে আমরা সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করতে পারি। এরপর আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে যেটা মনে করবেন, সেটাই করবেন। যেরকম সাক্ষ্য-প্রমাণ আছে এবং আসামির জবানবন্দি রয়েছে, সেই বিবেচনায় আমরা মনে করি আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন।
সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল কোনো নাম দিয়েছে কি না বা কোনো মতামত পাওয়া গেছে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও পাইনি। সর্বশেষ সেশনের আগে কথা হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম, ১৭ সদস্যের একটি সংবিধান সংশোধন কমিটি করতে চাই। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে সাতজন রাখা হয়েছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজন রাখা হয়েছে এবং পাঁচজন বিরোধী দলের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে। তারা বলেছেন, সামনের সেশনে জানাবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি। পেলেই আমরা জুলাই সনদের পথ ধরে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নেব।’
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার আইন ও গুম কমিশন আইন নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে প্রথম কনসালটেশন করেছি। অনেক সুপারিশ এসেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। আমরা পর্যায়ক্রমে একটির পর একটি যাচাই-বাছাই করে যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবতার নিরিখে সেগুলোকে সামনের কাতারে নিয়ে আসব।








