কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে ৭০ বারের বেশি আফটারশক অনুভূত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সিএনএন জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সর্বশেষ আফটারশকটি অনুভূত হয়। মূল ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে একের পর এক আফটারশকে। সর্বশেষ আফটারশকের উৎপত্তিস্থলও চোকো বিভাগের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৯৯ কিলোমিটার গভীরে।
ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার সতর্কতা অনুযায়ী, মূল ভূমিকম্পের পর আরও আফটারশক হতে পারে। ভূত্বকের ফাটল বা পরিবর্তিত অংশের আশপাশে জমে থাকা শক্তি পুরোপুরি বের হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাসও সময় লাগতে পারে।
এই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারের পাশাপাশি নিখোঁজদের সন্ধান এবং আহতদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হচ্ছে। একদিকে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ছে, অন্যদিকে ধারাবাহিক আফটারশকের কারণে উদ্ধারকর্মীদের কাজও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাথমিকভাবে অন্তত ২২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো বিভাগে আরও ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় মৃতের সংখ্যা ২৫০ জনে পৌঁছেছে।








