ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবুন্ধ সেতু মহাসড়কের সেতু পূর্ব এলাকা থেকে টাঙ্গাইল সদরের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যরাত থেকে সৃষ্টি হওয়া এ যানজটে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের।
পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, মহাসড়কে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা, গাড়ি বিকল ও সেতুর ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত গাড়ির চাপে সৃষ্ট জটে প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা টোল আদায় বন্ধে থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে ও স্বাভাবিক ঈদ যাত্রায় নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে মহাসড়কে গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে অনেককেই খোলা ট্রাক ও পিক-আপে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। এছাড়াও ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি তাদের এই যাত্রায় আরও ভোগান্তি বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এছাড়াও মহাসড়কে বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিগত যানবাহন, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী পরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে সেতু কর্তৃপক্ষ জনায়, বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গাড়ি পারাপারের ধারণ ক্ষমতা ১৫ হাজার থেকে ১৭ হাজার। সেখানে গেল ২৪ ঘণ্টায় ৪০ হাজার ৯০৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ টাকার। আর শুক্রবার রাত ১২ থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা।








