পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউসসহ আবাসিক হোটেলগুলো ভর্তি পর্যটকে। তবে অতিরিক্ত রুম ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পর্যটকদের। পর্যটকদের নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
ঈদের টানা ছুটিতে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। হোটেল-মোটেলগুলো আগে থেকে বুকিং হয়েছিল। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে সৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা।
সিলেটের জিন্দাবাজার থেকে আসা পর্যটক দম্পতি নাহিদ ও রিপা বলেন, প্রচণ্ড গরমের মাঝেও সাগরের কাছে আসলে শান্তি পাওয়া যায়। সাগরের পানিতে গোসল করার পর সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর থেকে আসা পর্যটক রবিউল ইসলাম, সেফাউল হোসেন, মনির হোসেন ও জাফর ইকবাল বলেন, ঈদের ছুটিতে বন্ধুরা মিলে গ্রুপ করে কক্সবাজার আসলাম। খুব ভালো সময় কাটাচ্ছি এখানে। তবে হোটেল ভাড়াটা বেশি বলে মনে হচ্ছে।

ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে আসা পর্যটক নওরিন, মাহিন ও মাহফুজ বলেন, গরমের মাঝেও কক্সবাজার এসে অন্যরকম একটা আনন্দ উপভোগ করছি। তবে সৈকত ও আশপাশের এলাকাকে আরও পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। সৈকতে ঘোড়াগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেই। ওয়াটার বাইকগুলো সাগরের গোসলরত পর্যটকদের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। এটা খুবই খারাপ বিষয়।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিকদার বলেন, এবারে অনেক পর্যটক হয়েছে। সবগুলো হোটেলের কক্ষ ১২ জুন পর্যন্ত বুকিং হয়ে গেছে। কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, বিপুল পরিমাণ পর্যটক এসেছে কক্সবাজারে।
কক্সবাজার জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ইকবাল বলেন, আমাদের ৪ শতাধিক রেস্টুরেন্ট খোলা রয়েছে। সব হোটেল মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা মানসম্মত এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করে। আমরা সমিতির পক্ষ থেকে বিষয়টি মনিটরিং করছি।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, সমুদ্র সৈকতের তিনটি পয়েন্ট ছাড়াও পর্যটন জোনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তিনটি টিম কাজ করছে। পর্যটকরা যদি কোথাও কোনো হয়রানি শিকার হলে এই টিমগুলোকে জানানোর সাথে সাথে তারা ব্যবস্থা নিবেন।







