শহীদ ডা. মিলন দিবস আজ। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে শহীদ ড. মিলনের পরিবার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিযেছেন।
১৯৯০ সালের এই দিনে তৎকালীন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বে সামরিক জান্তার পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সন্নিকটে নিহত হন ডা. শামসুল আলম খান মিলন। এই শোকাবহ ঘটনার স্মরণে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতি বছর শহিদ ডা. মিলন দিবস পালিত হয়ে আসছে।
ডা. মিলনের আত্মত্যাগের কয়েকদিনের মধ্যেই গণআন্দোলন ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। নিশ্চিত হয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ।
একজন মেধাবী ছাত্র, পেশাগত সততা, দক্ষতা, সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় ডা. মিলন ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। ডা. মিলন ১৯৫৭ সালের ২৯ জানুয়ারি বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে ১৯৮৩ সালে এমবিবিএস পাশ করে চিকিত্সক হিসেবে কর্মময় জীবন শুরু করেছিলেন তিনি। ঢাকা মেডিক্যালে ইন্টার্নশিপ চলাকালীন তিনি ইন্টার্ন চিকিত্সক সংগঠনের আহ্বায়ক হয়েছিলেন। শিক্ষক হিসেবেও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
আওয়ামী লীগও দেশবাসীর সাথে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনের নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সকাল ৯টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতের কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন শুরু হয়েছে।
দিবসটিতে জাসদও সকাল থেকেই কর্মসূচি পালন শুরু করেছে। বিকাল ৩টায় তাহের মিলনায়তনে আলোচনা সভা।








